দ্য পিপল ডেস্কঃ ফের নয়া মোড় কর্ণাটক বিধানসভায়। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়ল কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকার।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

বৃহস্পতিবার কর্ণাটকের আস্থা ভোটে অংশগ্রহণ নাও করতে পারেন ১৫ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়করা, এমনটাই জানালো প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর ডিভিশন বেঞ্চ। সেইসঙ্গে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের দেওয়া ইস্তফাপত্রের বিষয়েও সময় নিতে পারবেন স্পিকার কে আর রমেশ কুমার।

এই  ১৫ জন বিধায়কের ইস্তফার পর জোট সরকারে বিধায়কের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০১ জন। অন্যদিকে বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কের সংখ্যা ১০৫ জন।  গত ৬ জুলাই কর্ণাটকের জোট সরকার থেকে ইস্তফা দেন বিক্ষুব্ধ ১৫ জন বিধায়ক। মুহূর্তে কর্ণাটকের রাজনৈতিক চিত্র ফের বিতর্ক তৈরি করে।উঠতে থাকে বিধায়ক ভাঙিয়ে নেওয়ার সেই ঘোড়া কেনা-বেচার ইস্যু।

সরকার ধরে রাখতে চাপে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী। এরপরেই বিধায়কদের ইস্তফাপত্র খতিয়ে দেখতে সময় চেয়ে নেন স্পিকার রমেশ কুমার। এরপরেই স্পিকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই বিধায়কেরা।  

মঙ্গলবার ১৫ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক সহ মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী এবং স্পিকার রমেশ কুমারের বয়ান নেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পরে অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর পদত্যাগের জন্য সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা জানিয়েছেন, সংখ্যা ধরে রাখতে না পেরে ভেঙে পড়বে এই সরকার।