দ্য পিপল ডেস্কঃ ২৫ তম কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে Asian Select for NETPAC Award এ মনোনীত হয়েছে অপরাজিতা ঘোষ পরিচালিত মিস্টিক মেমোয়ার। 

ছবির অন্যতম চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঞ্চালক জুলহাজ জুবায়ের। 

বাংলাদেশের গন্ডি পেরিয়ে প্রথমবার অভিনয়ের জন্য ভারতে আসা। দু’দিনের ওয়ার্কশপ সেরে নতুন ছবি ‘মিস্টিক মেমোয়র’-এর শুটিং ।

একইসঙ্গে প্রথমবার কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জায়গা করে নেওয়া।

কেমন ছিল পরিচালক অপরাজিতা এবং অভিনেতা জুবায়েরের জুটি? সেইসব নিয়েই চলল জমিয়ে আড্ডা। 

আমরা কথা বলেছিলাম ‘মিস্টিক মেমোয়ার’ এর পরিচালক অপরাজিতা ঘোষের সঙ্গে।

তিনি বলেন, প্রথমদিকে ছবির অন্যতম চরিত্র জ্যোতির জন্য কয়েকজনকে ভেবেছিলাম । যার মধ্যে কলকাতার কিছু নামকরা অভিনেতাও ছিলেন যাদেরকে ছবির ওই চরিত্রের জন্য অ্যাপ্রোচ করব ভেবেছিলাম। 

কিন্তু যরিত্রটা নিয়ে যখন বিশ্লেষণ করতে শুরু করলাম, তখন মনে হল জুবায়ের ইজ পারফেক্ট ফর দিজ ক্যারেকটার।

ওকে জানালাম। অপেক্ষা না করেই রাজি হয়ে গেল।এমনকি টিকিট কেটে চলে এল কলকাতায়। 

বাংলাদেশের এক টিভি অনুষ্ঠানে জুবায়েরের সঙ্গে আলাপ। দেখেই মনে হয়েছিল ছেলেটার মধ্যে স্মার্টনেস রয়েছে।

ওকে আলাদা করে এক্সপেরিমেন্ট করা যেতে পারে। আসলে আমাদের মধ্যে অভিনেতা বলতে কিছু স্টারদের কথাই প্রথমে মাথায় আসে।

সেই গতানুগতিক ধারা থেকেই নতুন কিছু ট্রাই করতেই আমি জুবায়েরকে বেছে নিয়েছিলেম। 

প্রথমে মনে হয়েছিল জুবায়েরকে কি রকম লাগবে,কারণ ওকে তো আমরা একটু অন্য লুকে দেখে অভ্যস্ত। সবসময় প্রপার ড্রেস, প্রপার হেয়ারকাট।

কিন্তু এই চরিত্রটার জন্য একেবারে এলোমেলো চুল, পাঞ্জাবি, ছেঁড়া চপ্পল। পরে যখন ও লুকটেস্ট দিল তখন দেখলাম একেবারে যেমনটা চেয়েছিলাম ঠিক তেমনটাই। 

এমনিতেও চরিত্রটার জন্য খুব বেশি ব্রিফিং জুবেরকে দিতে পারিনি। যতটা দিয়েছি সবটাই ফোনে।

এখানে এসে ভিড় শহরে একটু কাজ করতে অসুবিধে হয়েছিল। এমনকি জুবায়ের -র বাংলা অ্যাকসেন্ট নিয়ে একটু অসুবিধে ছিল পরে ছবিটার এডিটিং হওয়ার পর দেখলাম জ্যোতি পুর্ণ হয়েছে।   

কি বললেন মিস্টিক মেমোয়ার এর অভিনেতা জুলহাজ জুবায়ের 

একই সঙ্গে জুবায়ের সঙ্গে কথা বলে দ্য পিপল টিভি। তিনি বলেন, নতুন করে আমার কোনও অবদান নেই। অল ক্রেডিট গো’স টু আমাদের ডিরেক্টর অপরাজিতা ঘোষ।

ছবিতে আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে ভীষণভাবে সাহায্য করেছে অপরাজিতা।

তবে যেহেতু আমি অ্যাকটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত নই, তাই ক্যারেকটার সুইচ অফ সুইচ অন করতে একটু অসুবিধে হয়েছে। তবে 

বাংলাদেশের গন্ডি পেরিয়ে প্রথম অভিনয় সত্যিই একটা দারুণ অভিজ্ঞতা। বাকিটা রইল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্য। ভীষণভাবে এক্সাইটেড।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here