দ্য পিপল ডেস্কঃ জম্মু কাশ্মীরের বিষয়ে ঠিক কী ভাবছে পাকিস্তানের কূটনৈতিক বন্ধু চীন? যদিও ৩৭০ ধারা বিলোপ করার পরেই ভারতের অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করেছে পাকিস্তান। এই অবস্থায় চীনের ভূমিকা কী হবে তা জানতে চায় আন্তর্জাতিক মহল।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে রাষ্ট্রসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনার জন্য আগেই চিঠি দিয়েছিল পাকিস্তান। এবার একই ইস্যুতে রাষ্ট্রসঙ্ঘকে গোপন বৈঠকের জন্য চিঠি দিল চীন।

সূত্রের খবর, রাষ্ট্রসঙ্ঘের অগাস্ট মাসের সভাপতিত্বকারী দেশ পোল্যান্ডকে এই বিষয়ে চিঠিও দিয়েছে চীন। একইসঙ্গে জানা গিয়েছে, যেহেতু গোপন বৈঠক হবে তাই এই বৈঠকে কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারবে না পাকিস্তান।  সংবাদসংস্থা আইএনএসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রসঙ্ঘের এক কূটনীতিক জানিয়েছেন শুক্রবারই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। ওই আধিকারিকের কথায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের সঙ্গে এই বৈঠকের কোনো রকম সম্প্রচার করা হবে না সংবাদমাধ্যমে।

রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের তরফে আরও জানানো হয়েছে ১৫ অগাস্ট প্রাথমিক ভাবে বৈঠকের দিন ঠিক করা হলেও চীনের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচীর জন্যই তা শুক্রবার বৈঠকের দিন চূড়ান্ত করা হয়।

চলতি বছরের ৫ অগাস্ট জম্মু কাশ্মীর থেকে বিলোপ করা হয় বিশেষ মর্যাদা। একইসঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র।

তারপরই শুরু হয় ভারত পাক তরজা। যদিও প্রথম থেকেই কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক স্তরে কোণঠাসা হতে হয় পাকিস্তানকে। চীন বাদে নিরাপত্তা পরিষদের অন্যান্য দেশগুলির তরফে জানানো হয়েছিল এটি ভারত পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ বিষয়। এতে সহমত পোষণ করে আমেরিকাও।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবারই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশীর সঙ্গে কাশ্মীর ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় চীন সরকারের। বৈঠকের পর পাক বিদেশমন্ত্রী জানান, কাশ্মীর ইস্যুতে ইসলামাবাদকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে চীন।

এরপরই পাল্টা জবাব দিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাফ জানিয়ে দেন, “কাশ্মীর ইস্যুতে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত ভারত পাকিস্তানের আভ্যন্তরীন বিষয়। তবে এতে সীমান্তরেখায় কোনো প্রভাব পড়বে না। ভারত পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে বিবেচনার ক্ষেত্রে চীনকে বাস্তবটা বিচার করতে হবে।”