দ্য পিপল ডেস্কঃ বৃষ্টি নেই। তাতে কী! খাতায় কলমে তো এখন বর্ষাকাল। এই সময়ই তো মেঘকে দূত করে প্রিয়তমার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন কবি কালীদাসের নায়ক। আষাঢ়ের কাজলকালো মেঘ প্রিয়সঙ্গ-সুখে বঞ্চিত প্রেয়সীর কাছে পৌঁছে দিয়েছিল বিরহী প্রেমিকের বার্তা। সেই চিঠি পেয়ে নিশ্চয়ই মন উথাল পাথাল হয়েছিল মিলন পিয়াসী প্রেয়সীর।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

আসলে বর্ষা হল প্রেমের ঋতু। আষাঢ়-শ্রাবণে আকাশ মেঘে ঢেকে গেল বুকে ঝড় ওঠে ময়ূরের। প্রিয়তমাকে কাছে পেতে আকুল ময়ূর মেলে ধরে তার পেখম। যে পেখমের সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে স্বেচ্ছায় ধরা দেয় প্রিয়তমের কাছে। প্রেমিকাকে কাছে পেয়ে নৃত্য করতে থাকে ময়ূর। তার পর শুভলগ্নে মিলনে মজে যায় মিলন পিয়াসী দুটি হৃদয়। প্রেমিকার গর্ভে সঞ্চারিত হয় ভালোবাসার বীজ।ভালোবাসার মায়াকাজল পরে রতিসুখে মুগ্ধ ময়ূরী ফিরে যায় জঙ্গলে। অপেক্ষা করতে থাকে ভালোবাসার ফল কবে মুখ দেখবে মায়াবি পৃথিবীর।

এ তো গেল প্রাণীকুলের কথা। মানুষের জীবনেও তো তাই। ভালোবাসা ছাড়া আর আছে কি! কিছুই নয়। ভালোবাসার শুরু তো সেই আদম-ইভের কালে। পৃথিবীর প্রথম পুরুষ আদম যদি না ইভকে ভালোবাসার জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে না যেতেন, তবে আমরাই বা আসতাম কীভাবে। অতএব, যৌনজীবন মধুর হোক, চায় সবাই।

প্রশ্ন হল, কীভাবে মধুর হবে মিলনয কীভাবেই বা রতিসুখের সপ্তম স্বর্গে ওঠা যাবেয সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য।গবেষকরা দেখেছেন, সামুদ্রিক মাছের মধ্যেই রয়েছে কামনার আগুনে পুড়ে মরার রসদ। নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খেলে যৌনচাহিদা বাড়ে। ইচ্ছে করে সঙ্গমে মাতাল হতে। শরীরের জৌলুসও বাড়ে।

আসলে সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সহ আরও কয়েকটি উপাদান। এরাই বাড়িয়ে দেয় যৌন নানা হরমোনের ক্ষরণ। তার জেরেই উত্তেজনা বাড়ে শরীরে। পুরুষাঙ্গ হয় বাঁশের মতো শক্ত। তাই লিঙ্গোত্থানের সমস্যা থাকে না বললেই চলে।

সামুদ্রিক মাছে থাকা নানা উপকারী উপাদান সৌন্দর্য বাড়ায় স্ত্রী যৌনাঙ্গেরও।পুষ্ট হয় নারী অঙ্গ। পুরুষ্ট হয় স্তন। মুকুলিত নয়, আক্ষরিক অর্থেই বিকশিত হয় কুচযুগ।

নারী-পুরুষের এরকম দুটি সুঠাম শরীর ঝড় তোলে বিছানায়। সুখের হয় মিলন। যে সুখ খুঁজে বেড়ায় স্বর্গের দেবতা কিংবা নরকের শয়তানরা। যে সুখে দিনভর মজে থাকতে চায় তাবত মনুষ্যকুল।