দ্য পিপল ডেস্কঃ বাম – কংগ্রেস জোট চূড়ান্ত। মঙ্গলবার বিমান বসুর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন শেষে এমনটাই জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। তবে কে কত আসনে লড়াই করবে তা এখনই স্পষ্ট করা হল না। বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোটে শামিল হচ্ছে পিরজাদা আব্বাস সিদ্ধিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টও।

সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরী বলেন,’সমঝোতা চূড়ান্ত। নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে রাজ্যে। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট, আরজেডি, এনসিপির মতো ছোট দলগুলি আস্থা প্রকাশ করেছে। সমমনোভাবাপন্ন দলগুলির সম্মান রাখতেই এখন আসন সংখ্যা প্রকাশ করছি না।’ বিমান বসুর কথায়,’আমরা চাই, একুশের নির্বাচনে বাম, কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নিক।

বৃহত্তর ব্রিগেড সমাবেশ হতে চলেছে।’ এদিনের বৈঠকে কংগ্রেসের তরফে ছিলেন প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী-সহ আব্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য, নেপাল মাহাতো। বামেদের তরফে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু-সহ সূর্যকান্ত মিশ্র, মহম্মদ সেলিম ছিলেন। বৈঠক শেষে দু’তরফেই জানানো হয়, বাম-কংগ্রেসের আসন রফা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘শুধু নির্বাচনের আসন সমঝোতাই নয়, রাজ্য রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বলেন, পশ্চিমবঙ্গে স্বৈরাচারী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি চায়নি বাম-কংগ্রেস জোট সফল হোক। কিন্তু সব অপপ্রচার ব্যর্থ করে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করে ফেলেছি আমরা।’

অধীরের মত, আগামী দিনে বাংলায় সরকার গড়তে চাইছে বাম-কংগ্রেস জোট। অধীর আরও বললেন, বললেন, ‘কত আসন ছাড়া হবে তা এখনই ঘোষণা নয়। তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রথম পদক্ষেপ সফল।’ অধীরের দাবি,”রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জটের উপর আস্থা বাড়ছে মানুষের। মইদুল ইসলামের মৃত্যু তারই প্রমাণ৷ বাংলার লড়াইটা শুধু বিজেপি-তৃণমূলের লড়াই নয়। বাংলার লড়াইটা হতে চলেছে ত্রিমুখী। বাম-কংগ্রেস জোট কাউকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য লড়াই করছে না। নিজেরা ক্ষমতা দখলের জন্য লড়াই করছে।