দ্য পিপল ডেস্ক : কাশ্মীরের প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে মিথ্যা বলছে কর্তৃপক্ষ। শনিবার এ্রমন অভিযোগই করলেন পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি)-র নেত্রী মেহবুবা মুফতি।

তাঁর দাবি, কাশ্মীরের প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে কর্তৃপক্ষের প্রতিটা বিবৃতি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এদিন ট্যুইট বার্তায় মুফতির কটাক্ষ, শুরুতে ‘গ্রেফতার’ না করা হলেও রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি হল ‘শুভেচ্ছা’র নিদর্শন।

জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কেন প্রচুর সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, তা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার প্রশ্ন তুলেছিলেন উপত্যকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি।

কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করার লক্ষ্যে বাহিনীকে ব্যবহার করছে কেন্দ্র। গণতান্ত্রিক ভারতে এখন প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে স্বাধীনতা এবং সমতার আদর্শ।

মুফতির প্রশ্ন, সরকার আসবে, সরকার যাবে। কিন্তু দেশের নৈতিক কাঠামো এবং সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার কি হবে? ৩৭০ বিলোপের পর উপত্যকায় প্রথম নির্বাচন হবে আগামী ২৪ অক্টোবর। ওইদিন ব্লক উন্নয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে উপত্যকায়। নির্বাচনের ঠিক আগে মুফতির এই বিবৃতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও একমাত্র বিজেপিই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। অন্য সব রাজনৈতিক দল বয়কট করেছে নির্বাচন।

উল্লেখ্য, উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পর্যটকদের কাশ্মীর ছেড়ে দিতে বলা হয়।বন্ধ করে দেওয়া হয় টেলিফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা। বহিরাগতদের কাশ্মীরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে সরকার। সংবাদ-মাধ্যমের উপরও জারি হয় নিয়ন্ত্রণ। উপত্যকার রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের আটক বা গৃহবন্দি করা হয়।

এখন কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে দাবি করছে প্রশাসন।ধাপে ধাপে মুক্তি দেওয়া হছে রাজনৈতিক নেতাদের।সোমবার থেকে পোস্ট পেড টেলিফোন সংযোগ চালু করার কথা ঘোষণা করেছে প্রশাসন। পর্যটকদের স্বাগত জানাচ্ছে উপত্যকা।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে বলে প্রশাসন দাবি করলেও বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে ভিন্ন চিত্র উঠে আসছে। মেহবুবা মুফতিও অভিযোগ করছেন, উপত্যকার প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে মিথ্যা বলছে কর্তৃপক্ষ।   

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here