দ্য পিপল ডেস্কঃ ক্রমশ অবনতি হচ্ছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এবিষয়ে আগেও সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বদের। এবার সেই বিষয় নিয়েই অভিযোগ জানাতেই রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে সময় চাইল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

চলতি মাসের ১৫ তারিখ সময় চাওয়া হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রের খবর। পাশাপাশি, বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে যদি রাষ্ট্রপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সময় দেন তাহলে উভয়ের কাছেই লিখিত অভিযোগ জানানো হবে।

বিজেপি সূত্রে খবর, গত ৮ দিনে রাজ্যে ৮ বিজেপি কর্মী মারা গিয়েছেন। যদিও বিজেপির দাবি ওই কর্মীদের খুন করা হয়েছে। আর এই ঘটনায় দায়ী যে তৃণমূলই তা-ও স্পষ্ট দাবি করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

রাজ্যে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র কথায়, রাজ্যে সন্ত্রাসের মাধ্যমে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী করে নিজের পায়ের তলায় জমি ধরে রাখতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। এটাই তাঁর স্ট্র্যাটেজি। তাঁর কথায়, এতগুলি খুনে কোনো তদন্তই করছে না প্রশাসন। রাজ্যের এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগেরও দাবি তোলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, শুক্রবারই রেড রোডে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল। সেই কার্নিভালকে নিয়েও তোপ দাগতে ছাড়লেন না বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তাঁর কথায়, কার্নিভাল, ফেস্টিভ্যালেই চলছে পশ্চিমবঙ্গ। অথচ ক্রমশ আইনশৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে গোটা রাজ্যে। পুজোর সময়ও খুনখারাপি হয়েছে। হুঁশ নেই মুখ্যমন্ত্রীর।

মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “মানুষের জীবনের সুরক্ষা নেই। উৎসব, আনন্দ করে মানুষের মনকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব নয়।”

রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতির ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল রাজ্য জুড়ে কালা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।

অন্যদিকে দশমীর সকালে জিয়াগঞ্জে একই পরিবারের তিন সদস্যকে খুনের ঘটনায় রাজ্য সরকারের নিস্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বয়ং রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর কথায়, ”ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে একটা বিবৃতি দেওয়া হল না। নীরবতাই বলে দিচ্ছে তদন্তের গতিপ্রকৃতি।” রাজ্যপালের এহেন বক্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে পাল্টা দাবি করেছে তৃণমূল।

উল্লেখ্য এর আগেও যাদবপুরে বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্থার ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সমালোচনা করতে পিছু ছাড়েননি তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here