সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে নিহত ২০০ জঙ্গি!

0
114
সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে নিহত ২০০ জঙ্গি!

দ্য পিপল ডেস্কঃ বালাকোটে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে মৃত্যু হয়েছে প্রায় দুশো জঙ্গির। অন্তত এমনই দাবি করেছেন এক বিদেশি সাংবাদিক।

তাঁর দাবি, এই এয়ার স্ট্রাইকে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের কোমর ভেঙে দিয়েছে ভারত।

১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনা কনভয়ে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মদম্মদের এক আত্মঘাতী সদস্য।

শহিদ হন অন্তত ৪০ জন জওয়ান। তার বারো দিন পরে ভারত পাকিস্তানের তিনটি জঙ্গিঘাঁটিতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায়।

এই অভিযানে ঠিক কতজন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছিল, তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। সরকারের দাবি, জঙ্গিদের উচিত শিক্ষা দেওয়া গিয়েছে।

যদিও বিরোধীদের একটা অংশ দাবি করতে থাকে, ওই স্ট্রাইকে কতজন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে, তা জানাক সরকার।

সম্প্রতি ওই এয়ার স্ট্রাইকে কতজন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছিল, তা জানিয়েছেন সাংবাদিক ফ্রান্সেসকা মারেনা।

স্ট্রিঙ্গার এশিয়ার এই সাংবাদিকের দাবি, ভারতীয় সেনার হামলায় নিকেশ হয়েছে ১৭০ জন জঙ্গি।

ফ্রান্সেসকা লিখেছেন, জইশ জঙ্গির আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন জওয়ান শহিদ হন। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন এতে যুক্ত।

এর পরেই সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালায় ভারত।

সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সময় জইশ-ই-মহম্মদের চাঁই মাসুদ আজাহার পাকিস্তানেই ছিল। ভারতের হামলার সময় তাকে তড়িঘড়ি নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যায় পাক সেনা।

পুলওয়ামাকাণ্ডের পর মাসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার দাবি জানায় ভারত।পাশে পেয়ে যায় আমেরিকা, ফ্রান্স ও ব্রিটেনকে।

যদিও চিনের ভেটো প্রয়োগের জেরে মাসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গির তকমা দেওয়া যায়নি। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয় অন্তত সাড়ে তিনশো মানুষের।

তাঁদের মধ্যে বহু পর্যটকও ছিলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে চিন। ভেটো প্রয়োগ না করায় শেষমেশ মাসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করে রাষ্ট্রপুঞ্জ।

এই মাসুদই জইশ-ই-মহম্মদকে পরিচালিত করে চলেছে এখনও।

ফ্রান্সেসকা জানান, ভারতের এয়ার স্ট্রাইকে ১৭০ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে ঘটনাস্থলেই।

বাকিরা মারা গিয়েছে হাসপাতালে চিকিতসা চলাকালীন। নিহত জঙ্গিদের মধ্যে ১১ জন প্রশিক্ষকও ছিল।

অস্ত্র চালনায় কয়েকজন পারদর্শীও ছিল নিহতের তালিকায়।

ওই সাংবাদিকের দাবি, জঙ্গি মৃত্যুর খবর যাতে কোনওভাবেই প্রকাশ্যে না আসে, সেজন্য বহু কাঠখড় পুড়িয়েছিল পাক সরকার।

নিহত জঙ্গিদের পরিবারকে মোটা টাকা ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছিল।

ফ্রান্সেসকার দাবি, বর্তমানে পাক সেনাই জঙ্গিঘাঁটিগুলি নিয়ন্ত্রণ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা তো বটেই, পুলিশকেও ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না জঙ্গিঘাঁটির আশপাশে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here