দ্য পিপল ডেস্ক- ৩৭০ ধারা বাতিলের মধ্যে দিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ । পাশাপাশি জন্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে দুই পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার যুগান্তকারী পদক্ষেপে ভারতের পাশে দাঁড়াল রাশিয়া । ফলে আন্তর্জাতিক স্তরে কূটনৈতিক ভাবে অনেকটাই স্বস্তি পেল ভারত, এমনটাই মনে করছে দেশের কূটনীতিকেরা ।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

রুশ বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে হয়েছে, ‘‘জম্মু-কাশ্মীরের মর্যাদার পরিবর্তন এবং ওই রাজ্যকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে ভাঙার সিদ্ধান্ত ভারতের সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে‌ থেকেই নেওয়া হয়েছে । আমরা আশা করব, ভারত ও পাকিস্তান ওই অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় এমন কোনও পদক্ষেপ করবে না । শিমলা চুক্তি ও লাহৌর ঘোষণাপত্র মেনে দ্বিপাক্ষিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানো হবে।’’

রাশিয়ার মতো বিশ্বের প্রথম সারির রাষ্ট্রের বিবৃতিতে শিমলা চুক্তি ও লাহৌর ঘোষণাপত্রের উল্লেখ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে দাবি ওয়াকিবহল মহলের ।

উপত্যকার মর্যাদা লোপের পর থেকেই বিশ্বের মঞ্চে নয়াদিল্লিকে কূটনৈতিক ভাবে কোণঠাসা করার কোনো উপায় বাদ রাখেনি ইসলামাবাদ । এমনকি পেন্টাগনের তরফে পাকিস্তানকে জঙ্গি নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিলেও সে ভাবে দিল্লির পাশে দাঁড়ায়নি । উল্টে সম্প্রতি কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতা করতে চেয়ে ভারতকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিষয়টি নিয়ে দেশের কূটনীতিক মহলের মত, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের জন্য পাকিস্তানের সাহায্য প্রয়োজন আমেরিকার । ফলে পরোক্ষ ভাবে হলেও ইসলামাবাদকে কিছুটা সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন । ভারতের সিদ্ধান্তের সমালোচনায় মেতেছে লাদাখ নিয়ে ক্ষুব্ধ চিনও । এহেন পরিস্থিতিতে রুশ সমর্থন ভারতের হাতকে অনেকটাই শক্ত করল বলে মনে করা হচ্ছে ।

বিষয় যখন কাশ্মীর, রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের এক স্থায়ী সদস্যের সমর্থন কূটনৈতিক যুদ্ধের সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করছে নয়াদিল্লি ।