দ্য পিপল ডেস্ক- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পরই বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভারত । গত কয়েক দশকে উচ্চপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে ।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

১৯৭২ সালের জুন থেকে একটি দ্বিপাক্ষিক যৌথ নদী কমিশন বা জেআরসি দুদেশের অভিন্ন নদীগুলির জলবন্টনের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে এসেছে । বছরের শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার জল বণ্টনের জন্য ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি সন্তোষজনক ভাবে কার্যকর রয়েছে । চুক্তির বাস্তবায়নের জন্য গঙ্গার জল বণ্টনের যৌথ কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় দু’দেশের জলসম্পদ সচিবের বৈঠকে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । তিস্তা-সহ দু’দেশের মধ্যে বয়ে চলা আটটি নদীর জলের প্রবাহ নিয়ে নতুন করে তথ্য সংগ্রহ করবে ভারত ও বাংলাদেশ । দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পরেই নরেন্দ্র মোদী সরকারকে তিস্তা-সহ বিভিন্ন নদীর জলের ভাগ নিয়ে চুক্তির বিষয়টি দিল্লিকে মনে করিয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার ।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও চুক্তির বিষয় নিয়ে বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন । ততদিনে অনেক জল গড়ালেও তার বাস্তব রূপায়ন হয়নি ।

ঢাকার উৎসাহেই কেন্দ্রীয় জলসম্পদ উন্নয়ন সচিব উপেন্দ্রপ্রসাদ সিংহকে দিল্লি পাঠান মোদী সরকার । আট বছর পরে দু’দেশের জলসম্পদ সচিবের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে— তিস্তা, মুহুরি, খোয়াই, ফেনি, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার নদীর জলের প্রবাহ নিয়ে নতুন করে তথ্য সংগ্রহ করা হবে ।

বাংলাদেশের সচিব কবির বিন আনোয়ার জানান, দু’মাসে কাজ শুরু হবে বলে ঠিক হয়েছে। অক্টোবরের গোড়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফর রয়েছে । সেই সফরে জলচুক্তি বিষয়ে সদর্থক ঘোষণা হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে ঢাকা সূত্রে । জলের প্রবাহ নিয়ে তথ্য সংগ্রহ তারই প্রথম ধাপ বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল ।