দ্য পিপল ডেস্কঃ সন্ত্রাস মোকাবিলায় সব দেশকে এক হওয়ার বার্তা দিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশপাশি সন্ত্রাসে মদত না দেওয়ার জন্য পাকিস্তানকে একাধিকবার সতর্ক করেছে অন্যান্য দেশের শীর্ষ  নেতারা।

এমনিতেই ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর ভারতের বিরোধিতা করতে শুরু করেছে পাকিস্তান। পাল্টা রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে একাধিকবার মুখ পুড়েছে তাঁদের। এবার আমেরিকার তথ্যে আরও একবার মুখ পুড়ল ইসলামাবাদের।

পাকিস্তানের মাটিতেই চলছে সন্ত্রাসবাদের মহড়া। রমরমিয়ে চলছে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তইবার কর্মসূচী। কিন্তু কিভাবে তাঁদের হাতে এই টাকা আসছে তা জানাতে ব্যর্থ পাকিস্তান।

আরও পড়ুনঃ তিনের মধ্যে দুই –এ এগিয়ে পদ্ম

‘কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেররিজম ২০১৮’ এর তথ্য অনুযায়ী পাকিস্তানের মাটিতে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে  আফগান তালিবান এবং হাক্কানি নেটওয়ার্ক এর কার্যকলাপ। এমনকি আফগান সরকার এবং আফগান তালিবানের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটিয়েছে ইসলামাবাদ।

সূত্রের খবর, জুলাইয়ের নির্বাচনে লস্কর-ই-তইবার একটি জঙ্গি সংস্থাকে সাহায্য করেছে ইসলামাবাদ। তথ্যে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেখানে বলা হয়েছে ২০১৮ এর পাকিস্তানের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে লস্কর-ই-তইবার মুল মাথা হাফিজ সাইদ প্রতিষ্ঠিত মিল্লি মুসলিম লিগ।

তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে একাধিকবার হামলা চালায় তারিখ-ই-তালিবান, জামাত-উল-আহারার এবং আইসিসের একটি সংগঠন। কিন্তু গত বছরের তুলনায় এই সমস্ত জঙ্গি সংগঠনগুলির হামলার সংখ্যা কমে গিয়েছে। যেখানে আশংকা করা হচ্ছে অন্য কোনও জঙ্গি দলের যুক্ত হচ্ছে এই সমস্ত জঙ্গি দলের সদস্যরা।

এই সমস্ত জঙ্গি দলগুলি পাকিস্তানের ভিতরেই রয়েছে বলে জানাচ্ছে তথ্য। পাক মাটিতে বসেই তাঁরা বাইরের দেশে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। যেখানে হামলার জায়গা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে স্কুল, বাজার এমনকি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি। যেখানে বিস্ফোরক হিসেবে ব্যাবহার করা হচ্ছে আইইডি এবং ভিবিআইইডি।

আরও পড়ুনঃ এনআরসি আতঙ্ক, আধার সংশোধনে একদিনে জমায়েত ৩ হাজার মানুষ

এর আগেও একাধিকবার জঙ্গি দমনের বিষয়ে পাকিস্তানকে সতর্ক করে রাষ্ট্রসংঘ। গত বছরের জুন মাসেই পাকিস্তানকে ধুসর তালিকাভুক্ত করে এফএটিএফ। এফএটিএফের তথ্য অনুযায়ী কিভাবে লস্কর-ই-তইবারের আর্থিক সাহায্য বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান।

ইতিমধ্যেই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগের দাবীতে সরব হয়েছে ইসলামপন্থী দলগুলি। যার নেতৃত্ব দিয়েছেন ফজলুর রহমান। পদত্যাগ না করলে প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকে বিক্ষোভ চালাবেন বলে হুমকি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। পাশাপাশি তাঁকে সেনার হাতের পুতুল বলে কটাক্ষ করেছেন বিক্ষোভকারী সদস্যরা।

এদিনের বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজের নেতা শাহবাজ শরিফ এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা বিলওয়াল ভুট্টো জারদারি। বিক্ষোভকারী নেতদের কটাক্ষ, “ইমরান খান নয়, পরোক্ষে সরকার চালচ্ছে পাক সেনারা”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here