দ্য পিপল ডেস্ক : কোনও সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলবে না। রাতে প্রবল বৃষ্টিতে কোনও মানুষ দু কিলোমিটার হেঁটে গিয়ে আত্মহত্যা করেন না।


যাঁরা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলছেন তাঁরাই এই চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত। রাজনৈতিক হিংসার বলি সমাজের সব ধরনের মানুষ হয়েছেন। বিধায়ক খুনের শেষ দেখে ছাড়ব।


এই খুনের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুতে এমন মন্তব্য় করলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

একই সুরে সুর মিলিয়েছেন রাহুল সিনহাও। তিনি বলেন, বিজেপি বিধায়ককে পরিকল্পনামাফিক খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।


তৃণমূল কংগ্রেসের মদতে বিধায়কে খুন করা হয়েছে বলেই মত রাহুল সিনহার।

উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়কের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠছে অনেক। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগের তির তৃণমূল নেতৃত্বের দিকেই।

উল্লেখ্য, বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে, বন্ধ দোকানের বারান্দা থেকে সোমবার সকালে উদ্ধার হয় বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের ঝুলন্ত দেহ।


এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল জেলা সভাপতি কানাহাইয়ালাল অগ্রবাল জানান, বিজেপি নেতার মৃত্যু তদন্তসাপেক্ষ।


তাঁর কথায়, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুললে হবে না। এরকম ঘটনা আগে ঘটেনি। দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি।

রায়গঞ্জের বিন্দোলের বালিয়ার এলাকায় আদি বাড়ি বিধায়কের। রবিবার সন্ধ্যায় সেখানেই ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি।


সারারাত তাঁর কোনও হদিস মেলেনি। সোমবার বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটি চায়ের দোকানের সামনে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায় তাঁকে।

এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা তা স্পষ্ট নয়। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।