thepeopletv.com
ছবিঃ দ্য পিপল টিভি, ইনসেটে সংগৃহীত নমুনা

শুভদীপ ঘোষ ও জাষ্টিক গোস্বামীঃ হয়রানি অব্যাহত তিলোত্তমাবাসীর। কবে থেকে উল্টোডাঙা ব্রিজের পরিষেবা পাওয়া যাবে ? সেই নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করলেন ইঞ্জিনিয়াররা । 

 উল্টোডাঙা ব্রিজ ভেঙে পড়ার পরেই তীব্র যানজটের শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রীরা । KMDA-র তরফে বলা হয়েছিল তিনদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক হবে যান চলাচল। কিন্তু, বৃহস্পতিবার ইঞ্জিনিয়াররা এসে পরীক্ষা করে জানান, এক্ষুনি কিছু বলা যাচ্ছে না । 

এদিন ব্রিজ পরিদর্শনে আসেন KMDA-র সিইও অন্তরা আচার্য, উড়ালপুল এক্সপার্ট ডঃ অমিতাভ ঘোষাল, ব্রিজের দায়িত্বে থাকা ITL-CORTEX এর ফিল্ড ম্যানেজার ডঃ ভার্মা সহ পাঁচজনের বিশেষজ্ঞ দল । সংগ্রহ করা হয় নমুনাও । এই নমুনা দু’টি পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা । নমুনাগুলি পরীক্ষার পরই উড়ালপুলের উপর দিয়ে কতটা যান চলাচল সম্ভব হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানান ডঃ অমিতাভ ঘোষাল ।অন্যদিকে, উড়ালপুলটি কতটা ভার বহনে সক্ষম সে বিষয়ে খতিয়ে দেখে তবেই যান চলাচল শুরু করা যেতে পারে বলে জানানো হয়। 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে । সেই রিপোর্ট মেলার পরই জানা যাবে, কবে থেকে পরিষেবা পাওয়া যাবে উল্টোডাঙা ব্রিজের। পাশাপাশি রাজ্যের প্রতিটি উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কথাও জানান KMDA সিইও । তার জন্য একটি কমিটি গঠনের প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেন তিনি । এই দলটি নিয়মিত পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দেবে সংস্থায় । দলটির কাজ হবে উড়ালপুল মনিটরিং, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নমুনা পরীক্ষা সবই । শুধু তাই নয়, এই দলটি হবে স্বতন্ত্র এবং থাকবে কে এম ডি এ-র অধীনে ।   

২০১৩ সালে উড়ালপুলের একধারের রেলিংয়ে ধাক্কা মারে একটি ট্রাক। তারপরই ডেকটি ভেঙে পড়ে কেষ্টপুর খালে। পরে সেই ডেকটিকে ঠিক করে ২০১৪ সালে পুনরায় চালু করা হয় উড়ালপুলটি। সারাই হওয়ার ৫ বছরের মধ্যে আবার ফাটল দেখা দেওয়ায় কপালে দুশ্চিন্তায় ভাঁজ পড়েছে KMDA কর্তৃপক্ষের।             

মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ উল্টোডাঙা-ইএম বাইপাস রুটের ব্রিজে ফাটল দেখা যায়। এরপরই দুই ধারে উড়ালপুলের পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় । যানজট সৃষ্টি হয় কাঁকুড়গাছি, বাইপাস এবং উল্টোডাঙা মোড় সংলগ্ন এলাকাগুলিতে ।