দ্য পিপল ডেস্কঃ মুর্শিদাবাদ জেলার সালার থানার গুলাটিয়া গ্রামে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে।

মৃত গৃহবধূর নাম সুকুমারি মাঝি (২০)। মৃতদেহ কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের আটকে বিক্ষোভ দেখানো হয় এবং মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

মৃত গৃহবধূর বাপেরবাড়ির সদস্যদের অভিযোগ, পারিবারিক বিবাদের জেরে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে মেয়েকে। অথচ শ্বশুরবাড়ির লোকেরা বলছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সুকুমারি।

জানা গেছে, পেশায় দিনমজুর সালার থানার গুলাটিয়া গ্রামে বাসিন্দা সমীর মাঝির সঙ্গে জজান গ্রামে বাসিন্দা সুকুমারি মাঝির বিয়ে হয় তিনবছর আগে। তাদের দুই সন্তানও রয়েছে।

অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই নানা কারণে নির্যাতন করা হত গৃহবধূর উপর। ফলে মাঝেমধ্যেই বাপেরবাড়ি এসে থাকতে হতো তাকে।

বৃহস্পতিবার সুকুমারির শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন করে বাপের বাড়িতে জানানো হয়, সকাল দশটা থেকে তাদের মেয়ে নিখোঁজ। সঙ্গে সঙ্গে সুকুমারির বাপেরবাড়ির লোকেপা শ্বশুরবাড়িতে আসে।

কিন্তু এসে দেখতে পায় গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থা ঝুলতে তাদের মেয়ে। সুকুমারির শ্বশুরবাড়ির লোকেরা জানায়, আত্মহত্যা করেছে সে।

মৃতার বাপেরবাড়ির লোকেদের দাবি, তাদের মেয়ের শরীরে একাধিক পোড়া জায়গা দেখতে পায় তারা। দেখে অ্যাসিডে পোড়া বলেই মনে হয়েছে। অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মেরে তাদের মেয়েks ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।এমনটাই দাবি মৃতার বাপেরবাড়ির লোকেদের।

এর পর মৃতদেহ কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে শ্বশুরবাড়ির  বাসিন্দাদের আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরে কান্দি থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here