দ্য পিপল ডেস্কঃ এখনও অবধি সমস্যার সমাধান তো দুরে থাক, বরং সমস্যা আরও বেড়ে দাঁড়ালো কর্ণাটকের জোট সরকারের। কিছুদিন আগেই কর্ণাটক বিধানসভা থেকে পদত্যাগ করেন ১৪ জন জেডিএস-কংগ্রেস বিধায়ক। বুধবার তাঁদের মধ্যে দশ বিধায়কের সঙ্গে দেখা করতে মুম্বইয়ের রেনেসাঁ হোটেলে উপস্থিত হন কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবকুমার। কিন্তু হোটেলে উপস্থিত হতেই আটকে দেওয়া হয় তাঁকে।

এরপরেই শুরু হয় নাটকীয় পর্ব। হোটেলে থাকা ওই দশ বিধায়ক শিবকুমারের সঙ্গে দেখা করতে চান না বলে জানায় মুম্বই পুলিশ। পুলিশ সুত্রের খবর, শিবকুমারের সঙ্গে দেখা করতে ভয় পাচ্ছেন ওই দশ বিধায়ক, এমনটাও চিঠি পাঠানো হয়েছে মুম্বই পুলিশকে। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। হোটেলের একটি ঘর তাঁর নামে বুক থাকা সত্ত্বেও হোটেলে প্রবেশে নিষধাজ্ঞা জারি করে মুম্বই পুলিশ।   

প্রসঙ্গত কিছু দিন আগেই কর্ণাটকের জোট সরকার থেকে ইস্তফা দেন ১৪ জন বিধায়ক। ইস্তফা দেন দুই নির্দল বিধায়কও। সরকার রক্ষার কথা মাথায় রেখে ৯ বিধায়কের ইস্তফা পত্র খারিজ করেন কর্ণাটক বিধানসভার স্পিকার কে আর রমেশ কুমার। আগামী ছয় দিনের মধ্যে বাকি পাঁচ বিধায়কের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই স্পিকারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন বিদ্রোহী বিধায়করা।

বিদ্রোহী কংগ্রেস নেতা বি বসভরাজ জানিয়েছেন, শিবকুমারের ওপর আমাদের পুর্ণ আস্থা রয়েছে। কিন্তু কিছু কারণের জন্যই আমরা তার সঙ্গে দেখা করতে চাইছি না। বন্ধুত্ব, ভালবাসা একদিকে। আমাদের অনুরোধ, ওনার বোঝা দরকার কি কারণে আমরা দেখা করতে ইচ্ছুক নই।

বুধবার শিবকুমারের সঙ্গে দেখা করেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা গণেশ যাদব। অন্যদিকে বুধবার ব্যাঙ্গালুরুতে বিধানসভার সামনে বিক্ষোভে শামিল হন বিএস ইয়েদুরাপ্পা সহ রাজ্যের অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here