দ্য পিপল ডেস্ক- সরকারি ভাবে বিল বাতিল বলে ঘোষণা করেছিলেন । ক্ষোভের আঁচ যেন ছড়িয়ে না পড় সেই লক্ষ্যে জনসংযোগও শুরু করেন ।

তবে লাভের লাভ কিছুই হয় নি । হংকংয়ের মুখ্যপ্রশাসক ক্যারি ল্যামের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে হংকং বাসী ।

সেখানকার মার্কিন দূতাবাসের সামনে রবিবার বিরাট জমায়েত করেন আন্দোলনকারীরা । প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে গিয়েছিল গোটা চত্বর ।

প্রত্যর্পণ বিলে অগ্নিগর্ভ হংকং 01

ভিন্ন বর্ণের প্ল্যাকার্ডের ভাষা ছিল এক । হংকংকে ‘স্বাধীন’ করতে যেন বিক্ষোভকারীদের সাহায্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ।

পুলিশ ঠায় দাঁড়িয়ে দেখেছে গণতন্ত্রের দাবিতে কী ভাবে বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধানের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা 

প্রত্যর্পণ বিলে অগ্নিগর্ভ হংকং ,প্রতিবাদ:

রবিবার হংকংয়ের চিত্রটা ছিল বেশ আলাদা । দূর থেকে দেখলে মনে হবে রঙিন ছাতার ঢল নেমেছে মার্কিন দূতাবাসের সামনে ।

সূর্যের তেজ থেকে বাঁচতে উপায় ছিল না । তবে,উদ্দীপনায় ভাঁটা পড়েনি একচুলও । টানা স্লোগান দিয়ে যাচ্ছিলেন হংকংবাসী, ‘মুক্তির জন্য লড়তে হবে, হংকংয়ের পাশে দাঁড়াতে হবে ।’

মার্কিন দূতাবাসের সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভকারীদের গলায় গর্জে ওঠে বেজিং বিরোধিতার সুরও । স্লোগান ওঠে, ‘বেজিংকে আটকান, হংকংকে মুক্তি দিন ।’

প্রত্যর্পণ বিলে অগ্নিগর্ভ হংকং 02

উল্লেখ্য, গত শনিবারই মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব মার্ক এসপার চিনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল, হংকংয়ের ব্যাপারে নরম হতে ।

কারণ শনিবার ফের আন্দোলনকারীরা বিমানবন্দরের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করলে পুলিশ ঘনজনবসতিপূর্ণ মংকক জেলাতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে ।

প্রত্যর্পণ বিলে অগ্নিগর্ভ হংকং ,সাহায্য চাইছে ট্রাম্পের

অগাস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চিনকে জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ঐক্যমতে পৌঁছনোর আগে বেজিংয়ের উচিত হংকংয়ের আন্দোলন ‘মানবিক’ পথে সামলানো ।

তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় রবিবার প্রতিবাদের ঝাঁঝ অনেকটাই কম ছিল  । সেন্ট্রাল এমটিআর স্টেশনে গ্রেপ্তার করা হয় একাধিক বিক্ষোভকারীকে ।

প্রত্যর্পণ বিলে অগ্নিগর্ভ হংকং 03

চিন অবশ্য শুরুর থেকেই  প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উস্কানি দেওয়ার জন্য দুষে এসেছে আমেরিকা ও ব্রিটেনকে । পাশাপাশি তাদের দাবি, এই বাণিজ্য এলাকায় যা-ই হোক না কেন, তা চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয় ।

প্রত্যাশিত ভাবেই সে অভিযোগ মানেনি দু’দেশের কেউই। তবে এর পরে বেজিং কী প্রতিক্রিয়া দেবে, তা এখনই আন্দাজ করা কঠিন ।

তবে, বিশ্বব্যাপী শুল্কযুদ্ধে রাশ টানতে খানিকটা নমণীয়ভাব দেখাবে বেজিং ।

কারণ,বিশ্বের দুই শক্তিধর রাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে ক্ষতির মুখ দেখছে উভয়ই ।

সমস্যার আসু সমাধানে বেজিং সদর্থক পদক্ষেপ নেবে এমনটাই মত ওয়াকিবহল মহলের ।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here