The People Tv Digital Desk: ‘সুল্লি ডিলস’ অ্যাপে তাঁর ছবি দিয়ে ‘নিলামে তোলা’ হয়েছিল। কিন্তু, তিনি আগাগোড়াই প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তাকে হাজারবার চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চললেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি হানা খান। গত বছরের জুলাই মাসে নয়ডায় প্রথম এফআইআর করেছিলেন পেশায় বিমানচালক হানা।

Source: Internet

দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ‘সুল্লি ডিলস’-এর মূল চক্রী ওমকারেশ্বর ঠাকুরকে রবিবার মধ্যপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করার পর তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছে কারণ, আমরা প্রতিবাদ করে গিয়েছি। ছ’মাস ধরে কেউ গ্রেফতার হয়নি। কিন্তু আমরা বিষয়টা ভুলতে দিইনি।’’

অবশ্য জুলাইয়ে নয়, বিষয়টির সূত্রপাত আরও আগে হয়েছিল বলে জানাচ্ছেন হানা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন সময়ে যখন তিনি ও তার বন্ধুরা অক্সিজেন ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাহায্যের জন্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন, তখন তার নজরে আসে লিবারাল ডজ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে তাকে ও আরও অনেক মুসলিম মহিলাকে নিলাম করা হচ্ছে। তখনও এফআইআর করেছিলেন তার এক বন্ধু। কিন্তু তার পরেও তৈরি হয় সুল্লি ডিলস অ্যাপ ।

Source: Internet

জুলাইয়ে হানার মতোই এফআইআর করেছিলেন অনেক মহিলা। কিন্তু কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও কেউ গ্রেফতার হয়নি।এরপর ‘সুল্লি ডিলস’-এর অনুকরণে চলতি বছরে সামনে আসে ‘বুল্লি বাই’ অ্যাপ। হানা মনে করেন, কেবল মহিলা নন, মুসলিম বলেই এমন আক্রমণ। তাঁদের ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়ার জন্যই এমনটা করা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন হানা।

‘বুল্লি বাই’ অ্যাপ নিয়ে অভিযোগ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই মুম্বই পুলিশ মূল চক্রী নীরজ বিষ্ণোই-সহ চার জনকে গ্রেফতার পরে। তার পরে দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করে ‘সুল্লি ডিলস’-এর মাথাকে। তবে গোটা লড়াইয়ে পাশে থাকার জন্য তিনি অকুণ্ঠ ধন্যবাদ দিয়েছেন শিবসেনা সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদীকে।