ছিঃ! গণতন্ত্র।

0
22

জয় চট্টোপাধ্যায় : ৭০ দশকে আমার জন্ম, কিন্তু ‘উত্তাল আন্দোলনের পর’! ফলে মূর্তি ভাঙার প্রতীকি শুধু রুনু গুহনিয়োগির ‘সাদা আমি-কালো আমি’ সহ কয়েকজনের লেখায় পড়েছি। এবং বাবা, কাকাদের কথায় শুনেছি। নিজের অভিজ্ঞতায় ‘গো-ব‍্যাক’ স্লোগান বহু নেতা-নেত্রীকেই বলতে দেখেছি বা শুনেছি।

স্মৃতি যদি বিশ্বাসঘাতকতা না করে তাহলে, এই‌ শহরেই কোন‌ও এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের আয়োজনে একটি *কনক্লেভে* এই মুহূর্তে আলোচিতো এক “প্রধাণ নেতা”কে ওই ‘গো ব‍্যাক’ স্লোগান শুনতে হয়েছে। আরে ওঁনাকে একা নয়, এখানেই তো অতুল‍্য ঘোষ থেকে বর্তমানের নেত্রীকেও ওরকম ‘শুদ্ধ বাক‍্যের’ পাশাপাশি ‘অশুদ্ধ বাক‍্য’ শুনতে হয়েছে। বা হচ্ছে।

আবার এর উল্টোটাও আছে। ইন্দিরা গান্ধী থেকে আজকের দেশের প্রধানমন্ত্রীও ওইরকম বাক‍্য শুনতে হচ্ছে। তাই আজকের ঘটনা গলধঃকরণ করার পর জাস্ট বদহজম হলো। হ‍্যাঁ তাই!

আজ আমার একদা সহকর্মীদের দৃশ‍্য-শ্রব‍্য মাধ‍্যমের উপস্থাপনা দেখে বলতে ইচ্ছে করলো,‌ আপনি নেতা বা‌ নেত্রী যেই হোন না কেনো ছবি সত‍্যি কথাই‌ বলবে। বলছে। না! আমি TMCP বা‌ ABVP-র কথা আলাদা করে বলছি না। 

কারণ, আপনি যে দলেরই হোন না কেনো “বিদ‍্যাসাগরের মূর্তি” ভাঙাকে মেনে নেওয়া যায় না। এর আগে ক্ষমতায় এসে ‘লেনিন, সুকান্ত’-র মূর্তিতে আঘাত আমরা দেখেছি। এবং পেশাদারি উল্লাস‌ও দেখেছি। এবার সেটাই মাত্রা ছাড়িয়ে গেলো। বাংলা বিশেষ করে মেদিনীপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে যাঁর নাম করে ভোট চাইলেন,‌তাঁর মূর্তিই কী না দ্বিখণ্ডিত? 

র্নিলজ্জ্ব গণতন্ত্র রক্ষার নামে সব পক্ষকে ধিক্কার। ছিঃ! 

সমুচিত জবাব দিন। ১৯৫২ থেকে ২০১৯! যেঁ বা যাঁরা শুধু ‘রোটি, কাপড়া, মকান’-এর নামে ভুলিয়ে ভোট চেয়েছে। এবং পেয়েছে তাঁদের সমুচিত জবাব দিন।

উন্নয়ন তখন‌ই হবে যখন উন্নয়নের ফিরিস্তিতে এই ‘খাদ‍্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা’ আসবে না।’
শেষ দফায় ‘নিজের শিক্ষাকে কাজে লাগান!’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here