দ্য পিপল ডেস্কঃ একটা সময় ছিল, বিকেল হতেই তাঁরা হাঁক পারতেন ঘটিগরম বলে।

জোর গলার সঙ্গে থাকত বিশেষ ঝুনঝুনি।প্রথম দিকে চোঙা ফুঁকে তাঁরা মানুষকে জানান দিতেন ঘটিগরম এসে গিয়েছে।

ঘটিগরম খাওয়ার জন্য আট থেকে আশি, নারী-পুরুষ ভীড় করত।

টক-ঝালের এক অনবদ্য সমন্বয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবটাই অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।

পাড়ায় পাড়ায় মাথায় ঝাঁকা নিয়া আসা ঘটিগরম আর আসে না।

পাড়া থেকে এখন ট্রেনে ঘটিগরম বিক্রি হতে দেখা যায়।

তবে এই ঘটি গরমের স্বাদ সেই ঘটি গরমের থেকে অনেক আলাদা।

সন্ধ্যায় দাওয়ায় বসে আড্ডা মারা মানুষজন রক থেকে উঠে এসে ঘটি গরম খাওযার জন্য ভীড় করে দাঁড়াত।

এক ঠোঙা ঘটি গরম এক কাপ চা। গৃহস্থের মন খুশি করতে এর থেকে বেশি কিছু লাগত না।

মুচমুচে চানাচুরের সঙ্গে মেশানো পেঁযাজ, নুন, মশলা ও লঙ্কা।

তারপর ঘটিতে ফেলে গরম করে বিক্রি করা হয়। তাই এই বস্তুটির নাম ঘটিগরম। আজ শুধুই নস্টালজিক।