দ্য পিপল ডেস্কঃ বাড়ানো হচ্ছেজাকির হোসেনের নিরাপত্তা । নবান্নের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবার থেকে রাজ্যের এই শ্রম প্রতিমন্ত্রীকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেই এই নিরাপত্তা পাবেন তিনি। যেখানেই যাবেন, মন্ত্রীর সঙ্গে থাকবে নিরাপত্তারক্ষীরা।

ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। তদন্তকারী দলের মাথায় এডিজি সিআইডি অনুজ শর্মা। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি রেল পুলিশ (জিআরপি)-ও তদন্ত করছে। কারণ গোটা ঘটনাটি ঘটেছে নিমতিতা স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের উপরে। সেই সঙ্গে রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ)-র নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ইতিমধ্যেই রাজ্যের শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার সকালেই মুর্শিদাবাদের নিমতিতা স্টেশন চত্বরে যায় সিআইডি-র তদন্তকারী দল।

জানা গিয়েছে, সন্দেহ বাড়িয়েছে বিস্ফোরণস্থলের কিছুটা দূর থেকে উদ্ধার হওয়া একটা তারের টুকরো। আর সেইসঙ্গে রেললাইন থেকে পাওয়া ব্যাটারির ২টো টুকরো। এখন এগুলি IED-র অংশ কিনা, তা নিশ্চিত হতে ঘটনাস্থল থেকে যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এখন নমুনায় পাওয়া রাসায়নিক পদার্থ যদি ব্যাটারি ও তারের টুকরোতেও মেলে, তবে IED ব্যবহার করে বিস্ফোরণের তত্ত্ব-ই জোরালো হবে।
একইসঙ্গে উঠে আসছে আরও বেশ কিছু প্রশ্ন।

যদি সত্যি IED ব্যবহার করেই নিমতিতা স্টেশনে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়ে থাকে, তবে কী ‘মেকানিজম’ ব্যবহার করা হয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। ঘটনাস্থলে আগেই কি বিস্ফোরক ‘প্ল্যান্ট’ করে দূর থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়? নাকি অন্য উপায় অবলম্বর করা হয়েছে? উঠছে প্রশ্ন।

গোয়েন্দারা মনে করছেন, এই হামলার পেছনে তিনটি কারণ থাকতে পারে৷ এক, বিরোধী রাজনৈতিক দলের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারেন রাজ্যের জাকির। দুই, তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফলে এই হামলা হতে পারে।