বুল্টি পাল, নামখানা : প্রতিবছরের মতো রথের মেলাতে নামখানা ব্লকের সাতমাইল বাজারে ফুলের চারা নিয়ে বসেন তিনি।


৪৬ বছরের ব্যবসায় কোনওদিন লোকসান হতে দেখেননি তিনি।


কিন্তু ২০২০ সালে লোকসানের যে চিত্র আগে থেকেই টের পেয়েছিলাম। যে চিত্র আমরা দেখছি এবং আগামী দিনে দেখব সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।


চারিদিকে করোনার জেরে লকডাউন আর ছেড়ে যাচ্ছে না।


আশা করেছিলাম অন্যান্য বছরের মতো এবছরও রথ উৎসবে ফুলের চারা নিয়ে দোকান দেব। এতে কিছু উপার্জন হবে। অনেক আশা ছিল মনে।


কিন্তু করোনা যে আশায় জল ঢালবে সেটা আগেই বুঝতে পেরেছিলাম। তাই কিছু করার নেই। এটা যেন সীমাহীন লোকসান।


এক নিঃশ্বাসে সেকথাই বলে গেলেন দক্ষিণ চন্দ্রনগরের ফুলের চারা বিক্রেতা সুদাংসু গিরি।


কখনও বুলবুল, কখনও বা আম্ফান এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেন ছেড়ে যাচ্ছে না।


এই দুই বিপর্যয়ে দু লক্ষ টাকার বেশি চারা গাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই এবছর কিছু গাছ আমাকে কিনতে হয়েছে।


অন্যদিকে দেবনগর গ্রামের ফুলের চারা ব্যবসায়ী শ্রীকৃষ্ণ দাস জানান, আমাদের এই ব্যবসা আনুমানিক ৭০-৭৫ বছরের।


কিন্তু কোনও বছর এত ক্ষতি হতে দেখিনি। যা এই বছর দেখতে হচ্ছে।


দুটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ৬০ হাজার টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে এবং লকডাউনের বাজারে ক্ষতির অংক ক্রমশ বাড়ছে।


তিনি আরও বলেন, আমি নামখানা ব্লকের প্রতি বাজারে চারাগাছ নিয়ে বসি। অন্যান্য বছরের মতো এ বছর ব্যবসাটা সম্পূর্ণ ভিন্ন