দ্য পিপল ডেস্ক: কোথায় আছে এই অদ্ভুত মন্দির! প্রতিদিন সমুদ্রের জলের নীচে মিলিয়ে যায় এই মন্দিরটি। আবার নিজে থকেই উঠে আসে এই মন্দির। কিন্তু এই মন্দিরের ইতিহাসটি কি। কেনই বা এই মন্দির সমুদ্রের নীচ থেকে ওঠে আসে?  

জানতে ইচ্ছা করছে না, এই মন্দিরের ইতিহাস কী? কেনই বা এই মন্দির নিজে থেকে জেগে ওঠে? আসুন জেনে নেওয়া যাক, মন্দিরের ইতিহাস সম্পর্কে।

গুজরাতের উপকূলীয় অংশে কভি কোম্বাই নামে এক ছোট শহরে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক আশ্চর্য দেবালয়। সেখানেই ভক্তদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলে দেব-বিগ্রহ।

জোয়ারের সময়ে পুরো মন্দিরটিকে গ্রাস করে নেয় জোয়ারের জলে। আবার ভাটার সময়ে স্তম্ভেশ্বরের শিবলিঙ্গ মন্দিরটি ওপরে উঠে আসে। ১৫০ বছরের প্রাচীন এই মন্দিরটি আরবসাগর ও ক্যাম্বি উপসাগরের মাঝে উপকূলীয় তটরেখার কাছেই অবস্থিত।

বলা হয়, প্রকৃতি নিজের হাতে জলাভিষেক করায় এই চার ফুটের শিবের মন্দিরটিকে। এই দেখার জন্য পুরো বছর ধরে অসংখ্য পুণ্যার্থীরা ভিড় করেন। কখন একটু একটু করে চোখের সামনে সমুদ্রের জলে মিলিয়ে যাবে এই দেবালয়। আবার ভাটার সময়ে জল থেকে বেরিয়ে আসবে এই মন্দির। সকালে মন্দিরে পুজো দেওয়ার পরে অপেক্ষা করেন ভক্তরা।   

ভাটার সময়ে মন্দিরে পুজো অর্চনা করা হয়। সেই সময়ে নাকি মন্দির লাগোয়া জমিতেও ঘুরে বেড়ানো যায়।  

পৌরাণিক মতে, আরব সাগর ও ক্যাম্বি সাগরের মাঝে উপাসনায় রত হন কার্তিক। শিবের আরাধনায় বসেছিলেন কার্তিক। সেখানেই পরবর্তী কালে নির্মিত হয় স্তম্ভেশ্বর মন্দির। পুরান ও প্রকৃতির টানেই ভিড় জমান পুণ্যার্থীরা।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here