দ্য পিপল ডেস্ক : “এক থা রাজা এক থি রানি, দো নো মর গ্যায়া, খতম কাহানি” ছবিটি শুরুই হয় এই ডায়লগ দিয়ে। কিন্তু ছবির শেষটা অন্যরকম।


ছবির শেষ দেখে আপনি নিজের অজান্তেই একটি ডায়লগ বানিয়ে ফেলবেন, “এক থা রাজা এক থি রানি, রাজা মর গ্যায়া খতম কাহানি”।


১৪ জুন সকলকে কাঁদিয়ে চিরতরে বিদায় নিয়েছেন মিষ্টি মুখের ছেলেটি সুশান্ত সিং রাজপুত। ২০১৯ সালেই করে যাওয়া তাঁর শেষ ছবি ‘দিল বেচারা’ মুক্তির আগেই তিনি চলে গেলেন।


করোনা আবহের কারণে ২৪ জুলাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে সেটি। সুশান্তের রিয়েল লাইফের সঙ্গে এই ছবির অনেক মিল পাওয়া যায়। যেন মনে হয় সুশান্ত সব কিছু আগে থেকেই জানতেন।


বাস্তবে সুশান্ত তাঁর অভিনীত শেষ ছবি দেখে যেতে পারেননি। আর সুশান্ত মারা যাওয়ার পর তাঁর ছবি দেখে দর্শকরাও তাদের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।


আবার এই ‘দিল বেচারা’ ছবিতেও দেখা যায়, সুশান্ত অর্থাৎ ম্যানি মারা যাওয়ার পর তাঁর অভিনয় করা একটি ছবি মুক্তি পায়, যা দেখে সেখানেও দর্শকরা চোখের জল আটকাতে পারছেন না।


ছবিতে নায়কের চরিত্রে রয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুত (ম্যানি)। বিপরীতে রয়েছে সঞ্জনা সিঙ্ঘী (কিজি বাসু)।


দুজনের ক্যান্সারে আক্রান্ত। তবুও জীবনে যতদিন বাঁচব আনন্দে বাঁচব বারবার এই বার্তাই দিয়ে গিয়েছে ম্যানি।


মনের জোর নিয়ে জীবনের সঙ্গে সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছে ম্যানি। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েও সে স্বপ্ন দেখেছে অনেক বড়। যা তিনি পূরণ করতে পারেনি।


কিন্তু তাঁর প্রেমিকা ক্যান্সার রোগী কিজি বাসুর সামান্য একটা ছোট স্বপ্ন তাঁর পছন্দের গায়কের সঙ্গে দেখা করা। তা তিনি পূরণ করে দিয়েছিলেন।


এছাড়াও ছবিতে দেখা গিয়েছে আরও দুই টলি চরিত্রকে। স্বস্তিকা মুখার্জি কিজির মা-এর ভূমিকায় এবং স্বাস্বত চ্যাটার্জি কিজির বাবার ভূমিকায়। তাঁদের অভিনয়ও ছিল চোখে পড়ার মত।


সব মিলিয়ে মুকেশ ছাবরার প্রথম পরিচালিত এই ছবিটির জন্য ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট সময় আপনি আপনার ল্যাপটপ বা সেলফোন থেকে নিজের চোখ সরাতে পারবেন না।


চোখে জল আর মুখে হাসি নিয়ে ছবিটি দেখতে হয়ত তারার দেশের রাজকুমার সুশান্ত সিং রাজপুত ওরফে ম্যানিই আপনাকে বাধ্য করবে।