বাজার শেষ,চাহিদা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে অনড় ওপেক

0
54

দ্য পিপল ডেস্ক-  অশোধিত তেল উৎপাদনে ছাঁটাই চলতি বছরের জুনের পরেও বজায় থাকতে পারে ।

ঠিক এমনই সুর শোনা গেল তেল রফতানিকারী দেশগুলির সংগঠন ও তাদের সহযোগীদের গলায় ।

সিদ্ধান্ত অনড় ওপেক

বিশ্ব ব্যাপী তেল রফতানিকারী দেশগুলির সংগঠন ওপেক –এর অন্যতম সদস্য সৌদি আরব বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে ।

সৌদি আরবের ভাষায়, তারা ওই সময়সীমা বৃদ্ধি নিয়ে এক প্রকার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে । তবে তা চূড়ান্ত করার আগে অন্য রফতানিকারী দেশগুলির সঙ্গেও এ নিয়ে কথা বলবে তারা ।

সৌদির ইঙ্গিতে শুক্রবার সামান্য হলেও প্রবাব পড়েছে বিশ্বের তেলের বাজারে । ফের উধ্বর্মুখী বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম ।   

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম পড়তে থাকায় জানুয়ারি থেকে ছ’মাসের জন্য অশোধিত তেলের উৎপাদন ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ওপেক ।

রাশিয়া-সহ ওপেকের বাইরে থাকা কয়েকটি তেল উৎপাদনকারী দেশও বিষয়টি নিয়ে তাদের সম্মতি জানিয়েছিল ।

সব মিলিয়ে ওপেক এবং ওপেক বহির্ভূত দেশগুলি দৈনিক ১২ লক্ষ ব্যারেল উৎপাদন ছাঁটাই করছে । জুনেই সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ।  

এবিষয়ে সৌদির তেলমন্ত্রী খালিদ আল-ফলিহ্‌র দাবি, তিন সপ্তাহ ধরে তেলের দাম কমে যেখানে পৌঁছেছে, ফলে তেল উৎপাদন ক্ষেত্রে লগ্নি করতে উৎসাহ হারাবে দেশগুলি ।

তিনি এক অর্থনৈতিক সম্মেলনে এসে বলেছেন, ‘‘ওপেকের দিক থেকে উৎপাদন ছাঁটাই চালু রাখার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত ।

সিদ্ধান্ত অনড় ওপেক,তবে আলোচনা স্বাপেক্ষে

তবে তার বাইরে থাকা দেশগুলি কী ভাবছে সেটাও প্রশ্ন ।’’ তবে তাঁর আশা, এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব একটা কঠিন কাজ হবে না ।

চলতি মাসের শেষেরদিকে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলির বৈঠক হওয়ার কথা ।

চলতি বছরের মে মাসে তেলের জোগানে অস্থিরতা বৃদ্ধির ফের ইঙ্গিত দেখা দিয়েছিল । যার প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছিল সৌদি আরবের ২টি তেলবাহী জাহাজ ও পাম্পিং স্টেশনে ড্রোন হামলা ।

যার ফলে তাদের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল  সৌদি অ্যারামকো ।

ঘটনার রেশ কাটিয়ে তেলের দর ব্যারেলে প্রতি ৬০ ডলারের নীচে নেমেছিল ।

সৌদির দাবি ছিল, আমেরিকার মজুত বেশি হওয়ায় চাহিদার চেয়ে এখনও জোগান যথেষ্ট ।

বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত, মার্কিন-চিন শুল্ক যুদ্ধে সারা বিশ্বের অর্থনীতিতেই অনিশ্চয়তা রয়েছে ।

ফলে চাহিদাতেও ভাঁটা । তাই তেলের দাম উঠছে না ।

সৌদির মন্ত্রীর অবশ্য দাবি, চাহিদা যথেষ্ট । কিন্তু করব্যবস্থাকে হাতিয়ার করে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য-যুদ্ধ আবহ তৈরা হচ্ছে ।

যার নেতিবাচক মনোভাব কাজ করছে সংশ্লিষ্ট মহলে । যদিও তাঁর আশা, শেষ পর্যন্ত বাণিজ্য-যুদ্ধ হবে না ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here