দ্য পিপল ডেস্কঃ কে না চায় রঙিন রাত? বিছানায় উঠুক কালবৈশাখী ঝড়? কে না চায় যৌবনের উপবনে মত্ত দন্তীর মতো দাপিয়ে বেড়াতে? কে না চায় ম্যাড়মেড়ে যৌনজীবনে বৈচিত্র আনতে? সবাই চায়।তাই আঁধার ঘনালেই যাঁরা নিশিখেলার অপেক্ষায় থাকেন, দিনভর তাঁরা খুঁজে বেড়ান যৌনজীবন উপভোগের নতুন নতুন পথ।

দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে গেলে বাতসায়নের কামসূত্র পড়তেই হবে। সচরাচর মানুষ তিন থেকে চারটির বেশি পজিশানেই সেক্স করেন। বাতসায়ন বাতলেছেন ৬৪টি ভঙ্গিমা। এই ভঙ্গিমাগুলি অনুশীলন করা আম জনতার পক্ষে সম্ভব নয়। তা হলে কী যৌনজীবনে সুখ অধরাই থেকে যাবে? তা কেন? ৬৪টি ভঙ্গিমার মধ্যে যতগুলি পারেন, চেষ্টা করে দেখুন।

সিংহভাগ ভারতীয় সেক্স করেন মান্ধাতা আমলের ভঙ্গিমায়। নারী চিত হয়ে শায়িত। আর তাঁর শরীর সমুদ্রে সাঁতার কাটছেন নারী। বিপরীত রতিচিত্রের খবর এদেশে মিলত না বললেই চলে। পরে ইংরেজ আমলে বাড়তি গুরুত্ব পায় সেক্স। সাহসী হয়ে ওঠেন ভারতীয়রাও। শুরু হয় বিপরীত পদ্ধতিতে রতিক্রিয়া। অর্থাত, পুরুষ চিত হয়ে শায়িত। পুরুষাঙ্গ যোনিতে নিয়ে শরীরিখেলায় মগ্ন নারী।

এই ভঙ্গিমায় নারীরা খুব বেশি তৃপ্ত হন না। তবে পুরুষরা হন। তাই অনেকেই এই ভঙ্গিমা অনুশীলন করেন।তবে এতে সুখের থেকে অসুখ হতে পারে বেশি। নিয়মিত এই পদ্ধতিতে সেক্স করলে ছোট হয়ে যেতে পারে পুরষাঙ্গ।নারীর শরীরি ভারে আঘাতও লাগতে পারে পুরুষাঙ্গে।তাই এই পদ্ধতিতে সেক্স না করাই ভালো।

পুরুষ এবং নারীর উচ্চতার মধ্যে যদি বিরাট কিছু পার্থক্য না থাকে, তাহলে দাঁড়িয়ে সেক্স করতেই পারেন। এতেও মিলবে বাড়তি সুখ। সেক্ষেত্রে নারীর কষ্ট কম হবে। বিশাল বপুর ভার সহ্য করতে হবে না তাঁকে।

তবে ৬৪টি ভঙ্গিমার কথা বললেও স্বয়ং বাতসায়নও গুরুত্ব দিয়েছেন চলতি ভঙ্গিমাকেই। অর্থাত নারীর শরীর সমুদ্রে সাঁতার কাটবেন তাঁর মনের মানুষ। একমাত্র এই পদ্ধতিতেই একের শরীর স্পর্শ সুখ পায় অন্যের শরীরেরনারী শরীরের ওপর থাকায় তাঁর স্তন নিয়ে খেলা করতে পারেন পুরুষ। আর যোনির ভেতরে থাকায় পুরুষাঙ্গে আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। স্বাভাবিকভাবেই নারী শরীরের ঘ্রাণ মাতাল করে তুলবে পুরুষকে। পুরুষের গায়ের গন্ধেও পাগল হবেন নারী। একমাত্র তখনই কথা বলবে যোনি। হিসহিসিয়ে বলবে, আমরা অমর সঙ্গী…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here