দ্য পিপল ডেস্কঃ রাজ্যজুড়ে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচী এবং ৯১৩৭০ ৯১৩৭০ নম্বর এখন হটকেক। ‘দিদিকে বলো’তে মজেছে আম বাঙালি। আর মাত্র এক মাস বাকি। তাই পুজো প্যান্ডেলেও এই নম্বরকে সামনে রেখে জনসংযোগের কাজ করবেন বলে দাবী করেছেন অনেকেই।

আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মধ্যবিত্ত বাঙালির হাতে এখন অ্যান্ডরয়েড ফোনের ছড়াছড়ি। কিন্তু পুরুলিয়ার অয্যোধ্যা পাহাড়ের সাহেবডি, মানবাজার, বলরাম, হুড়া, বান্দোয়ান এবং কাশীপুর এই এলাকায় মানুষের কাছে অ্যান্ডরয়েড ফোন মানে অভাবনীয় জিনিস।

সারা রাজ্যে তৃণমূলকে উজ্জীবিত করতে জোরকদমে চলছে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচী। কিন্তু পুরুলিয়ার একাধিক এলাকায় তা একেবারেই ফ্লপ। যা ঘিরে অভিযোগ উঠছে তৃণমূলের অন্দরেই।

লোকসভা নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল মৃগাঙ্ক মাহাতোকে পরাজিত করে জয়লাভ করেন বিজেপির জ্যোতির্ময় মাহাতো। ভোটের আগেও এই এলাকায় গেরুয়া শিবিরের হাওয়া ছিল প্রবল। ভোটের পর পুরুলিয়া থেকে মুছে গেছে তৃণমূল । মন্ত্রিত্ব গেছে শান্তিরাম মাহাতোর। এলাকায় আড়ে বহরে বাড়ছে পদ্ম শিবির। একথা পুরুলিয়ার তৃণমূল নেতৃত্ব হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছে। এমনকি এ তথ্য পিকে শিবিরের জানা। তবুও শেষ চেষ্টা করতে ক্ষতি কোথায়?

পুরুলিয়ায় তৃণমূলের ভরাডুবির কারণ হল নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে চূড়ান্ত ক্ষোভ এবং ওপর তলার দলীয় কোন্দল। এর মাঝেই আটকে পড়েছে খেটে খাওয়া গরিব মানুষগুলো। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্প তাঁদের কপালে জোটেনি। তার ওপর তাঁদের কাছে “দিদিকে বলো” নতুন বিড়ম্বনা।

সম্প্রতি এক অডিও বার্তা পুরুলিয়ার তৃণমূল কর্মীদের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। পুরুলিয়া শহরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে সেই ভিডিও। সেই অডিও রেকর্ডিংয়ের বার্তার চর্চা পুরুলিয়ার মোড়ে মোড়ে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল সাইটে ঝড় তুলেছে সেই অডিও ক্লিপ। পাশাপাশি যারা জেলা তৃণমূলের দায়িত্বে রয়েছেন তাঁরাও এর খোরাক করছেন।

সেখানকার মানুষের ধারনা ফোনের জন্য লম্বা লাইন যেন মনে হচ্ছে ‘জিয়ারের টোকেন দিচ্ছে’। সাধারণ মানুষের তরফ থেকে আসা এরকমই কিছু শব্দ তৃণমূলের কিছু নেতাদের ভাবাচ্ছে।

এই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি দ্য পিপল টিভি। এর  জন্য দ্য পিপল টিভির কোনও দায় নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here