দ্য পিপল ডেস্কঃ টানা চার দিন আন্দোলনের পর বিক্ষোভ তুলে নিতে রাজি হন দিল্লির আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবার থেকে আইনজীবীরা কাজে ফিরবে বলে জানিয়েছেন বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া।

পরিবর্তে আইনজীবীদের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার আইনজীবীর ওপর হামলা চালানো হয়েছে তাতে দোষীকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।

শনিবার পুলিশের সঙ্গে আইনজীবীদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিল্লির তিস হাজারি আদালত চত্বর।

পুলিশ এবং আইনজীবীদের সংঘর্ষে আহত ২০ জন পুলিশ সহ একাধিক আইনজীবী।টানা চার দিন ধরে চলা এই ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করেন দিল্লির হাজারো আইনজীবী।

পুলিশ বনাম আইনজীবি সংঘর্ষঃ

অন্যদিকে মঙ্গলবার নিরাপত্তার আবেদন জানিয়ে সংকেত আদালতের বাইরে টানা ১১ ঘন্টা আন্দোলনে বসে দিল্লি পুলিশ। অবশেষে উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসারদের কোথায় আশ্বস্ত হয়েই আন্দোলন তোলেন তাঁরা।

সূত্রের খবর, শনিবার তিস হাজারি আদালতে আইনজীবীর ওপর হামলার মিথ্যা ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে।

লকআপের ভিতরেই টেনে হিঁচড়ে মারধর করা হচ্ছে আইনজীবীকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সেই খবর। খবর ছড়িয়ে পড়ার পরেই পুলিশ অফিসারের ওপর হামলা শুরু করে বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা।

এখন অবধি এ বিষয়ে কোনও আইনজীবীর তরফে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও অভিযোগের তালিকায় এক মহিলা সহ দুই আইনজীবীর নাম উঠে আসছে।

বুধবার ঘটনায় রোহিণী আদালতের ছাদ থেকে আত্মহত্যর চেষ্টা করেন এক আইনজীবী। এমনকি পোশাক খুলে গায়ে কেরোসিন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক আইনজীবী।

আপাতত ঘটনার কিছুটা সুরাহা মিলেলও আইনজীবী এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের উত্তাপ এখনও রয়েই গিয়েছে। দেশের সংসদীয় দুই স্তম্ভ রাজধানীতে আন্দোলনে নামায় প্রশ্ন উঠছে সরকারের ভুমিকা নিয়ে।

দু’পক্ষকে তাঁদের নিজেদের কাজ চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার অমূল্য পট্টনায়ক।

ঘটনার মাঝে পুলিশের পক্ষ নিয়ে টুইট করায় বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন কিরেন রিজেজু। পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। মঙ্গলবার পুলিশ হেড কোয়ার্টারের সামনে বিক্ষোভ দেখনয় সেই টুইট পড়ে ডিলিট করে দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here