প্রতীকী ছবি

দ্য পিপল ডেস্ক : করোনা যেভাবে তার থাবা বৃদ্ধি করে চলেছে তাতে তার থামার কোনও লক্ষণ নেই আপাতত।


এই পরিস্থিতিতে সামান্য উপসর্গ থাকলে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকাই শ্রেয় মনে করছেন ডাক্তাররা।


তবে হোম কোয়ারেন্টাইনও বিপদ নিয়ে আসতে পারে। অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন কীভাবে?


হোম কোয়ারেন্টাইন বিপদ বয়ে নিয়ে আসতে পারে পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য। কারণ একই বাড়িতে একসঙ্গে অনেক লোকের বাস।


নির্দিষ্ট নিয়ম বা করোনা আাক্রান্তের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চলতে না পারলে আক্রান্ত হয়ে যেতে পারেন পরিবারের সদস্যরাও।


তাই জেনে নিন কী কী করবেন আর করবেন নাঃ


১. সবার প্রথমে মনের দিক থেকে সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। করোনা এমন রোগ যা চিকিৎসায় সেরে যায় কিন্তু চারদিকের অবস্থায় হতাশা আসা স্বাভাবিক।


তাই সবার প্রথমে বিশ্বাস রাখতে হবে যে আপনি পারবেন।


২. আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে একেবারেই আলাদা রাখতে হবে। আলাদা ঘর, বাথরুম সবই আলাদা করা উচিত। তবে দরজা বন্ধ রাখা চলবে না।


৩. ১৪ দিনের মধ্যে কখনই যেন কোনও অজুহাতে বাইরে বেরিয়ে অন্যদের সঙ্গে মিশতে না পারেন।


৪. অসুস্থ ব্যক্তির ব্যবহার করা কোনও জিনিস অন্যদের হাত না দেওয়াই উচিত। কোনও একজন তার জিনিসপত্র পরিচ্ছন্ন করার কাজ করলে ভাল। যিনি করবেন তাঁকেও সাবধানে ও অন্যদের থেকে দূরে থাকা উচিত।


৫. ডাক্তারের পরামর্শ মেনে ওষুধের পাশাপাশি নিয়মিত প্রচুর জল ও ফল খেতে হবে।


৫. সেই সঙ্গে আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তেজপাতা ফুটিয়ে হালকা গরম জল পান করুন ও ভাপ নিন।


৬. প্রত্যেকদিনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে দিনে অন্তত একবার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

৭. মানসিক দিক থেকে সুস্থ থাকতে পছন্দের বই পড়ুন বা সিনেমা দেখুন। প্রয়োজনে ভিডিও কলিংয়ে কথা বলুন।


৮. শরীর খুব অসুস্থ বোধ না করলে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন। তা শরীর ও মন উভয়ের জন্যই উপকারি।