দ্য পিপল ডেস্কঃ ২০২০ সালেই হতে পারে আইপিএল। রবিবারই লকডাউন নিয়ে বেশ কিছু নিয়ম শিথিল করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মধ্যে আছে বিভিন্ন খেলার ইভেন্টও। ফলে রুদ্ধদ্বার স্টেডিয়ামে খেলা হওয়ায় আপত্তি থাকবে না। তবে দর্শকদের প্রবেশে অনুমতি থাকছে না।

অনুশীলনও শুরু করতে পারবেন ক্রীড়াবিদরা। এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার অক্সিজেন দিয়ে দিল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে। তাঁরা আশাবাদী, চলতি বছরই হতে চলেছে আইপিএল। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিসিসিআই।

যদিও এখনই যে তারা আইপিএল নিয়ে ভাবছেন না একপ্রকার স্পষ্ট। বোর্ড কর্তাদের মতে, বিদেশি ক্রিকেটারদের ভারতে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে তবেই আইপিএল সম্ভব।

সেক্ষেত্রেও থাকছে জটিলতা। আইসিসির উইন্ডো থেকে সময় বার করতে হবে। যেই সময়ের মধ্যে আইপিএল করা সম্ভব। কোন সিরিজ বাতিল হচ্ছে, তাতে কতদিন সময় পাওয়া যাচ্ছে, সব হিসেব করেই আইপিএল করা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিসিসিআই।

এপ্রিলেই আইপিএল আরও পিছিয়ে দিয়েছিল বোর্ড। করোনা পরিস্থিতিতে দর্শকরা ঘরে ছিল এতদিন। এর মধ্যে আইপিএল হলে টিভির দর্শক অনেক বেশি হত।
তবে সেটা আর সম্ভব নয়।

এদিকে আইপিএলে বিদেশি ক্রিকেটাররা না আসলে, অনেকাংশেই জৌলুশ কমে যাবে মিলিয়ন ডলার ক্রিকেট লিগের। আপাতত তাই পরিস্থিতির দিকেই নজর রাখতে হচ্ছে বোর্ডকে।

কেন্দ্রীয় সরকার স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্যজনিত কোনও কারণে ব্যবহার করা যাবে এয়ার বাস। বিসিসিআইয়ের কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমল জানান, বর্তমান পরিস্থিতির কথা দেখে, ৩১মে পর্যন্ত লকডাউন থাকাকালীন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় থাকা ক্রিকেটারদের এখনই অনুশীলন শুরু হচ্ছে না। স্কিল বেসড ট্রেনিংয়ের জন্য আপাতত অপেক্ষা করব আমরা। রাজ্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে কথা বলে, ক্রিকেটারদের জন্য অনুশীলন শুরু করবে বিসিসিআই ।

অরুণ ধুমল স্পষ্টভাবেই বুঝিয়ে দেন, কোনও রকমভাবে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্য নিয়ে ঝুঁকি নেবে না বোর্ড। এমন কিছুই বোর্ড করবে না যাতে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

জুলাই মাসে শ্রীলঙ্কায় সফর রয়েছে বিরাটদের। ভারতীয় দল এই পরিস্থিতিতে যাবে কিনা, তা এখনই স্পষ্ট নয়। ভারত সরকার বিদেশযাত্রায় ছাড় দিলে তবেই লঙ্কানদের ডেরায় যাবে বিরাটরা।