..স্নেহাশ্রী বিশ্বাস..

করোনা আতঙ্কে থর হরিকম্প গোটা বিশ্বে। সংক্রমণ ঠেকাতে বর্তমানে একমাত্র ওষুধ লকডাউন। তাই লকডাউনের উপরেই ভরসা করে রয়েছে একাধিক দেশ।

সব দেশই লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি করছে। বিজ্ঞানীদের মতে, করোনাকে তাড়াতে তৈরি করতে হবে তার প্রতিষেধক। একাধিক দেশ সেই প্রতিষেধক তৈরির কাজ চালাচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত ফলপ্রসূ সেরকম কোনও প্রতিষেধক মেলেনি। দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত এই ভাইরাসের প্রতিষেধক আনা হবে।

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে এমন প্রতিষেধক তৈরি হবে যা করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। শুক্রবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করে অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানী সারান গিলবার্ট বলেন, তাঁর দল করোনার প্রতিষেধক তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

জানা গেছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে মিলিয়নস সংখ্যক প্রতিষেধক তাঁরা বাজারে নিয়ে আসবেন। গবেষণা একেবারে শেষ পর্যায়ে। চূড়ান্ত পরীক্ষার পরই তা সাধারণের জন্য ব্যবহারের উপযুক্ত।

গোটা বিশ্বে বেশ কয়েকটি প্রতিষেধক তৈরির প্রচেষ্টা চলছে। কিন্তু অক্সফোর্ডের তৈরি প্রতিষেধকটি অন্যদের তুলনায় আলাদা। এটি অত্যন্ত কম সময়ে দ্রুত বহু মানুষের সাহায্য করবে বলে দাবি গবেষকদের।

প্রতিষেধকটি সফল হবে বলে আশ্বাসও দেন সারান গিলবার্ট। অক্সফোর্ড বাদ দিয়ে আরও দুটি প্রতিষেধক তৈরির চেষ্টা চলছে চিন ও আমেরিকায়। এগুলি তৈরি হতে এখনও ১২-১৮ মাস সময় লাগবে বলে জানা গিয়েছে।

কিন্তু অক্সফোর্ডের প্রতিষেধক বছরের শেষের দিকেই আসবে বলে জানানো হয়েছে। অক্সফোর্ড সূত্রে খবর, তিনটি ভাগে এই প্রতিষেধকের ট্রায়াল হবে। প্রথমে ৫১০ জনের মধ্যে দিয়ে পড়ে পাঁচ হাজার জনের মধ্যে পরীক্ষা করা হবে।

অ্যান্টি-করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে গবেষণা করছে অস্ট্রেলিয়াও। ইতিমধ্যে পশুদের উপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও মানুষের জন্য ভ্যাকসিনের ছাড়পত্র মেলা সময় সাপেক্ষ।

যে দেশই আবিষ্কার করুক না কেন কবে প্রতিষেধক আসবে তার অপেক্ষায় গোটা বিশ্বের মানুষ।