দ্য পিপল ডেস্কঃ আর্টিস্টস ফোরাম এবং টলিউডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সোমবার বেলা তিনটেয় জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
নবান্ন-তে এই মিটিং শুরু হয়। প্রায় আড়াইমাস ধরে কাজ বন্ধ থাকার পর অবশেষে খুলেছে টলিপাড়া।

এই পরিস্থিতিতে টলিপাড়ায় কি কি সমস্যা রয়েছে তার খোঁজ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলচ্চিত্র এবং ধারাবাহিকের ক্ষেত্রে কি সমস্যা হচ্ছে সেগুলো খোঁজখবর নেন।

এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা-অভিনেত্রী সহ পরিচালক, প্রযোজকরা । ছিলেন রাজ চক্রবর্তী, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, দিগন্ত বাগচী, সোহম, জুন মালিয়া, শঙ্কর চক্রবর্তী, লীনা গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আর্থিক সহযোগিতা চাওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত তিনমাস ধরে রাজ্যের রোজগার নেই। পাশাপাশি, এই সময় সিনেমা হলগুলো বন্ধ থাকায় অনেক সমস্যা হচ্ছে।

অভিনেতা- অভিনেত্রীরা এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, এই ঘটনায় চরম সমস্যা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখনও সিনেমা হল খোলার অনুমতি দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এই বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

বিষয়টি নিয়ে বৈঠকেই মুখ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আম্ফানের কারণে ক্ষতি হয়েছে সিঙ্গেল স্ক্রিন সিনেমাহলের। সেই ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। সোমবার এমন কথাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, গত তিনমাসে রাজ্যের কোনও রোজগার নেই। কেন্দ্রীয় সরকার কোনও টাকা দিচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আর্থিকভাবে পাশে দাঁড়ানো কঠিন।

পাশাপাশি তিনি বলেন, টলিউডের সকল শিল্পীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে হবে প্রযোজকদের। বড় জায়গায় শুটিং করতে হবে, যাতে দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়। শুটিংয়ের সবথেকে বেশি ৪০ জন উপস্থিত থাকতে পারবেন।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী এদিন সিরিয়ালের মধ্যে বাড়িয়ে তুলতে হবে করোনা সচেতনতা বাড়িয়ে তোলার দিকে নজর দিতে বলেন পরিচালক, প্রযোজকদের।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, কীভাবে করোনা ছড়ায়, কীভাবে দূরত্ব বজায় রাখা উচিত, কীভাবে সুস্থ হওয়া যায় এগুলো সিরিয়ালে দেখানো হোক।


কিভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তা রোধ করতে গেলে কি করতে হবে সেই সচেতনতার বার্তা থাকতে হবে শুটিং স্ক্রিপ্টে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।