দ্য পিপল ডেস্কঃ ডার্ক কালারের শাড়ি। সঙ্গে ম্যাচিং ডার্ক লিপস্টিক। স্মোকি আইজ। আর খোঁপায় ফুলের মালা। বয়স! ডাজ নট ম্যাটার। কারণ ৬৪ তেও তিনি যে কোনও অষ্টাদশীকে মাত দিতে পারেন।

টোয়ান্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরিতেও যার লা-জবাব সৌন্দর্য ঝড় তুলেছে অগুণতি পুরুষের হৃদয়ে, তিনি ভানুরেখা গণেশন। যদিও আট থেকে আশি সকলের কাছেই তিনি পরিচিত রেখা হিসাবে।

বরাবরই তাঁর স্টাইল স্টেটমেন্ট নজর কেড়েছে সকলের। তাই ৬৪ তে পা দিয়েও রেখা যেন এভারগ্রিন।

‘উমরাও জান’, ‘সিলসিলা’, ‘সুহাগ’, ‘মুকাদ্দার কা সিকন্দর’, ‘কাহানি কিসমত কি’, ‘খুন ভরি মাং’, ‘দো আনজানে’, ‘উৎসব’ -সমস্ত ছবিতেই তাঁর প্রাণবন্ত অভিনয় আজও মনে ‘রেখা’ টেনে যায়।

তবে তাঁর চির যৌবনের রহস্য কি? সে উত্তর আজও খুঁজে বের করতে পারেনি ‘বি টাউন’। জীবনে এসেছে একাধিক পুরুষ। তৈরী হয়েছে বহু সম্পর্কের বেড়াজাল। কিন্তু শেষপর্যন্ত কোনো সম্পর্কই তাঁর জীবনে রেখাপাত করতে পারেনি ।

তবে রেখা মানেই আজও লুকিয়ে থাকা গল্প। রেখা মানেই তুমুল বিতর্ক, যা সেই ছোট্ট বয়স থেকে আজও পিছু ছাড়ল না এখনও। তাই বলে বিতর্ক, সমালোচনা থেকে পিঠ বাঁচাতে কোনো দিন ফ্ল্যাশের ঝলকানি থেকে লুকিয়ে রাখেননি নিজেকে। বরং সেই বিতর্কের মাঝেই ফ্ল্যাশের ঝলকানিতে এভারগ্রিন লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি।

তবে অনস্ক্রিনে প্রেমের গল্প খুব দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। সিলসিলা ছবির “দেখা এক খোয়াব” গানটিতে হলুদ সালোয়ারে অমিতাভ-রেখা জুটি এখনও মনের ভিতর গুনগুনিয়ে ওঠে।

“উমরাও জান” এর “ইন আঁখো কি মস্তি মেইন” গানটিতে রেখার দুরন্ত অভিনয় যেন কিছুতেই তাঁর রুপের মোহ ভুলতে দেয়না।

“তেরে বিনা জিয়া যায়ে না” গানের তাজা স্বাদ এখনও রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিরাজমান। “আজকাল পাওন জমিন পার” গানেতে সবুজ শাড়িতে বিনোদ মেহেরার সঙ্গে রেখার অভিনয় সেই সময়ের বাঘাবাঘা জুটিকে হার মানিয়েছিল।

৮০ এবং নব্বইয়ের দশকে রেখা মানেই ছিল নতুন বাক্সে ফ্রেশনেশ মিন্টের মত। যতই উর্দ্ধমুখী হয়েছে রেথার কেরিয়ার গ্রাফ, ততই নতুন নতুন বিতর্ক ঘিরেছে তাঁকে। যদিও সব কন্ট্রোভার্সি তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন ঠোঁটের কোণের আলগা হাসি দিয়ে। অনেকে বলেন নিজের জীবনের গল্প তুলে ধরার মত ক্ষমতা খুব কম মানুষের রয়েছে।

এককথায়, বর্তমান সেলেব দুনিয়ায় আইডল ভানুরেখা গণেশন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here