দ্য পিপল ডেস্ক: জেএনইউ (JNU) পড়ুয়াদের আন্দোলনে পুলিশি আক্রমণের প্রতিবাদে উত্তপ্ত হল সংসদের উভয় কক্ষ। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের (Winter Session Perliament) দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় এনিয়ে আলোচনা ও বিতর্কের দাবি জানালে চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু (Venkaiya Naidu) তা খারিজ করে দেন।

সংসদে পড়ুয়াদের উপর পুলিশি হামলা নিয়ে আলোচনার পরিসর না থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিপিআই সাংসদ বিনয় বিশ্বম। জেএনইউকে ‘ডিটেনশন ক্যাম্প’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

অন্যদিকে, লোকসভাতেও জেএনইউ কান্ডে সরব হন বিরোধীরা। জিরো আওয়ারে এনিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধী সাংসদরা।

আরও পড়ুনঃ আগামী দিনে বিজ্ঞান ও মহাকাশ গবেষণায় যৌথ উদ্যোগ নেবে ভারত-বাংলাদেশ, আশায় আওয়ামি লিগ

আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি করেন কংগ্রেসের টিএন প্রত্থাপান এবং বিএসপির ডানিশ আলি।

ডানিশ আলি বিষয়টি উত্থাপন করে বলেন, পড়ুয়াদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ নিন্দনীয়। এ ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করতে হবে। যদিও নোটিশের বাইরের কোনও বিষয়ে তাঁকে বলতে দেওয়া হবে না বলে জানান অধ্যক্ষ ওম বিড়লা।

অন্যদিকে, প্রত্থাপানও পড়ুয়াদের উপর পুলিশি পদক্ষেপের উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি করে বলেন, বিরোধীরা পড়ুয়াদের পাশে আছে।

যদিও আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে বাহিনীকে ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। হস্টেল ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ সহ অন্যান্য দাবিতে গত দু’সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করছে জেএনইউ-র পড়ুয়ারা।

সোমবার তাঁরা সংসদ অভিযান করে। কিন্তু তাঁদের অনেক আগেই আটকে দেয় পুলিশ। পড়ুয়ারা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে গেলে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

শতাধিক পড়ুয়াকে আটক করে। সূত্রের খবর, হস্টেল ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে যুক্তদের বিরুদ্ধে কিষাণগড় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে, এদিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক সাংবাদক বৈঠকে জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি ঐশী ঘোষ জানান, সংসদ অভিযানে পড়ুয়াদের টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ।

ছাত্রীদের গায়েও হাত দিয়েছে। সেই সঙ্গে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেছে। অভব্যতা করেছে পুলিশ।

২৩ দিন ধরে পড়ুয়াদের আন্দোলন চলছে। হস্টেল ফি বৃদ্ধির প্রস্তাব ফিরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে বলে জানান ঐশী।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here