দ্য পিপল ডেস্ক- কর্মব্যস্ত জীবন । সকাল ঘুম থেকে ওঠা ফ্রেস হয়ে অফিস আবার দিনের শেষে বাড়ির পথে । রবিবার ঘুমিয়ে গল্প গুজব করেই কেটে যায় । আবার সোমবার আবার একই জীবনদৌড় ।

অবসরের তো দরকার । তাহলে উপায় ? ব্যস্ত জীবন থেকে সময় বের করে অবসর কাটাতে চান একেবারে নিরিবিলিতে ? উত্তর হ্যাঁ হলে পুজোর ছুটিতে পাড়ি দিন সিকিমের ছালামাথাংয়ের উদ্দেশে ৷ পাহাড়ি গ্রামের নিরিবিলি আপনাকে নতুন অক্সিজেনের জোগান দেবে তা বলাই যায় ৷

দক্ষিণ সিকিমের ছোটো পাহাড়ি গ্রাম ছালামাথাং । সমুদ্রতল থেকে ৫৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ছালামথাং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা ৷ যে দিকে চোখ যায়, দেখতে পাবেন ছোট ছোট বাড়ি আর বাড়ি লাগোয়া খেত ৷ প্রায় প্রত্যেকেরই বাড়ির সামনে চাষ হয় এখানে ৷ জৈবসার দিয়ে ফলানো হয় আলু, সিম, চালকুমড়ো, বেগুন ৷

খড়ের ছাউনি দেওয়া ঘরে বসে কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে পাহাড়ি সৌন্দর্য্য উপভোগ করুন ।

দেখতে পাবে সবুজ উপত্যকার মধ্য দিয়ে বয়ে চলেছে তিস্তা ৷ পায়ে হেঁটেই ঘুরে বেড়াতে পারেন ছালামাথাং ৷ পাহাড় এবং জঙ্গলের পথ ধরে দেখে নিতেই পারেন বনঝাকরি গুহা, রক গার্ডেন, রামিতে ভিউ পয়েন্ট, ঝরনা ৷

সকালের দিকে গাড়ি ভাড়া করে চলে যান মঙ্গলধাম মন্দিরে ৷ ইতিহাসের ফিসফিসানি শুনতে চাইলে ১৬০ বছরের পুরনো হেরিটেজ হাউস আপনার অপেক্ষায় বসে আছে ৷ গোটা ছালামাথাংয়ের সৌন্দর্য অনুভব করতে চাইলে অবশ্যই ঘুরে আসুন রসাইলি ভিউ পয়েন্ট, দেওরালি ভিউ পয়েন্ট, লাভদাঁড়া ভিউ পয়েন্ট ৷ এই জায়গাগুলি আপনাকে মুগ্ধ করবেই ৷

কীভাবে যাবেন: 

নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ছালামাথাংয়ের দূরত্ব প্রায় ১০৫ কিলোমিটার । কম খরচে আসতে চাইলে শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার জিপে পৌঁছে যেতে পারেন ছালামাথাং । এছাড়া শিলিগুড়ি এসএনটি বাসস্ট্যান্ড থেকে ছাড়া গ্যাংটকগামী শেয়ার জিপ ধরে যেতে পারেন সিংতাম । সেখান থেকে ছালামাথাং কাছেই । অন্য গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যান ছালামাথাং ।

থাকবেন কোথায়?

ছালমাথাংয়ে থাকার জন্য হোম স্টে রয়েছে ৷ সেখানেই সেরে নিতে হবে খাওয়াদাওয়া ৷ পাহাড়ি গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি বাসিন্দাদের আতিথেয়তাও আপনার মন ছুঁয়ে যাবে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here