দ্য পিপল ডেস্ক- লক্ষ্য ৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি হয়ে ওঠার । সেইমতো বাজেটে বেঁধে দেওয়া হয়েছে লক্ষ্য । কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের মুখ্য আর্থিক পরামর্শদাতার মতে, ৩৬০ লক্ষ কোটি টাকার অর্থনীতি হয়ে ওঠার কাজটা সহজ নয় ।

কলকাতায় ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স (ICC)-এর বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন মুখ্য আর্থিক পরামর্শদাতা সঞ্জীব সান্যাল । তাঁর দাবি, কঠিন হলেও অসম্ভব নয় । বছরে অন্তত ৮ শতাংশ আর্থিক বৃদ্ধির হার ধরে রাখা গেলেই লক্ষ্যপূরণ সম্ভব ।

আর্থিক সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, চলতি বছরে বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের মধ্যেই থাকবে । সঞ্জীবের দাবি, সমীক্ষায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হয়ে ওঠার দাওয়াই রয়েছে ।

সেই পথে হাঁটতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার । আগামীতে কেন্দ্রের কাজে সেই প্রতিফলন দেখা যাবে বলেও দাবি তাঁর । এর মধ্যে আয় করে আমূল সংস্কার যেমন আছে, পাশাপাশি রফতানি বৃদ্ধিতে সুসংহত নীতি তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ।

সেই পরিকল্পনার একটি ধাপ,বিনিয়োগের জন্য তহবিল জোগাড়ে কেন্দ্রের বাড়তি উদ্যোগ । কৌশল হিসেবে বাজেটে বন্ড ছেড়ে বিদেশি মুদ্রায় তহবিল সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ।

বিষয়টি নিয়ে অর্থনীতিবিদদের একাংশের যুক্তি, ডলারের দাম আচমকা বেড়ে যাওয়ায় ঋণ শোধের অঙ্ক বৃদ্ধি পেলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে ।

বিদেশে বন্ডের বিরোধিতা না করলেও তাড়াহুড়ো না করে সাবধানে পা ফেলার পক্ষে মত দিয়েছেন নীতি আয়োগের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান অরবিন্দ পানাগড়িয়া ।

এ দিন সভার শেষে তাঁর বক্তব্য, গত সাত-আট বছর ধরে যে ভাবে ধাপে ধাপে মূলধনী ক্ষেত্র খোলা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সে ভাবেই এগোনো উচিত ।

এবিষয়ে উল্লেখ্য, আগামী মাসেই জমা পড়তে পারে ডাইরেক্ট ট্যাক্স কোড নিয়ে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির রিপোর্ট । দেশে আয়কর নীতি ও পদ্ধতি ঢেলে সাজাতে নয়া পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে সুপারিশ করতে চলেছে কমিটি ।

পাশাপাশি কর-বিরোধ নিষ্পত্তি ও মূল্যায়ন, আইনি জটিলতা কমানোর ব্যাপারেও সুপারিশ করবে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি ।

বিশেষ কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে নয়া কর রূপরেখা কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে দেশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোয় তা এখনই বলা সম্ভব নয় ।