Hen, Chicken eggs and chickens eating food in farm.

দ্য পিপল ডেস্কঃ আগের থেকে ডিমের উৎপাদন বেড়েছে রাজ্যে। বহু জায়গায় ছোট ছোট খামার তৈরি করা হচ্ছে। ফলে ডিম উৎপাদনে স্বনির্ভরতার পথে বাংলা।

কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার ও শিলিগুড়িতে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রাণীসম্পদ বিকাশ উন্নয়ন নিগমও বাণিজ্যিকভাবে ডিম উৎপাদনে জোর দিয়েছে।

গোটা রাজ্যের মধ্যে বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, বাঁকুড়াতেই সবথেকে বেশি ডিম উৎপাদন হয়।

আগামী আর্থিক বছরেই রাজ্যের ডিমের জোগান ও চাহিদার ফারাক অনেক কমে যাবে বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। অর্থাৎ আরও বেশি পরিমাণ ডিম বাজারজাত করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ৬ দফা দাবিতে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটে ব্যাপক প্রভাব রাজ্যজুড়ে

রাজ্যে প্রতিদিন ডিমের চাহিদা প্রায় তিন কোটি। রাজ্যের উৎপাদন দু-কোটি। বছরদুয়েক আগে ৬০ কোটি টাকা ব্যায়ে কল্যাণী ও বাঁকুড়ায় মুরগি ও হাঁসের খামার তৈরি করে করেছিল রাজ্য সরকার।

নতুন করে বেশ কিছু সরকারি খামারের পরিধি বাড়িয়ে বাণিজ্যিক উৎপাদন বাড়ানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ উত্তর ২৪ পরগনার প্রশাসনিক বৈঠক বাতিল, ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যপাল

প্রাণীসম্পদ বিকাশ উন্নয়ন দফতর সূত্রে জানা গেছে, উৎসাহ প্রদান স্কিম প্রকল্প ২০১৭ অনুযায়ী ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগে ৮ লক্ষ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।

১০ হাজার ডিম উৎপাদনকারী মুরগির খামারের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে মূলধনী অনুদান ছাড়াও মেয়াদী ঋণের ওপরে সুদে ভর্তুকি, বিদ্যুৎ মাশুলে আংশিক মকুব, এমনকী স্ট্যাম্প ডিউটিতেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here