দ্য পিপল ডেস্কঃ “শহিদের রক্ত, হবে নাকো ব্যর্থ”, এই স্লোগানে আগামীকাল আরও একবার মুখর হবে ধর্মতলা চত্বর, ঐতিহাসিক ২১ শের মঞ্চ। তৃণমূলের দলীয় পতাকার পাশে তাই রাখা হয়েছে কালো রঙের পতাকা।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

১৯৯৩ সালের ২১ জুন মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল শহর কলকাতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাইটার্স বিল্ডিং অভিযানে পুলিশের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন ১৩ জন কংগ্রেস কর্মী।

২০১১ সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই শহিদদের স্মরণ করে প্রত্যেক বছর ধর্মতলায় জমায়েত হন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। কিন্তু কালের যাঁতাকলে সেই শহিদ স্মরণ যেন পরিণত হয়েছে আনুষ্ঠানিকতায়, দলীয় কর্মসূচিতে।

কিন্তু আজও সেই শহিদদের প্রাণ বলিদানের প্রতীক হিসেবে দলীয় পতাকার পাশে ওড়ে কালো পতাকা। যে পতাকা শোকের প্রতীক, শহিদের প্রতীক। সেই পতাকা যেন মনে করায় সেই সব মানুষদের যাঁরা সুন্দর সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রমাণ করে সময় এগিয়ে গেলেও সাধারণ মানুষ বা তৃণমূল দল তাঁদের ভুলে যায়নি।

কী হয়েছিল সেদিন

সালটা ১৯৯৩, রাজ্যে তখন বাম শাসন চলছে। তৃণমূল দল তখনও আত্মপ্রকাশ করেনি। কংগ্রেসের নেত্রী হিসেবে প্রতিনিধিদের নিয়ে রাইটার্স বিল্ডিং অভিযানে যান তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাইটার্স বিল্ডিংয়ের প্রায় এক কিলোমিটার দূরে থাকতেই রাজ্য পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। বাধা অমান্য করে এগোতে গেলে ছুটে আসে পুলিশের গুলি। ঘটনাস্থলেই ১৩ জন মারা যান। আহত বহু।      

সমালোচকদের অনেককে অনেক সময় বলতে শোনা যায়, শহিদ দিবস বলা হলেও আসলে ২১ জুলাই এখন দলীয় জনসভা। কিন্তু এই সভা যে শহিদদের জন্যই তা যেন উড়ন্ত ওই পতাকারা দাবি জানিয়ে চলেছে।