দ্য পিপল ডেস্কঃ পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যেই নিগৄহীত মহিলা প্রধান সহ একাধিক মহিলা সদস্যা৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার খেয়াদহ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে৷

এই ঘটনায় অভিযোগের তীর উঠেছে পঞ্চায়েতেরই এক সদস্যের বিরুদ্ধে৷ এমনকি নির্বিচারে পঞ্চায়েত অফিস ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। লন্ডভন্ড করে দেওয়া হয় ফাইলপত্রও৷

এখানেই শেষ নয়। পঞ্চায়েত অফিস থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে ব্যাগ ভর্তি বোমা৷

সূত্রের খবর, জনস্বাস্থ্য নিয়ে বৈঠক ছিল সোমবার বিকেলে৷ সেই বৈঠকের পর পঞ্চায়েত প্রধান মিতা নস্করের সঙ্গে কথা বলতে ঢোকেন উপপ্রধান সীমা মজুমদার সহ আরও তিন সদস্য প্রসেনজিত সাহা, বিনয় মন্ডল ও সঞ্জয় মন্ডল৷

অভিযোগ সেইসময় পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন প্রসেনজিত সাহা। তখনই রাগের বশে টেবিলে লাথি মারেন তিনি৷ টেবিলটি  গিয়ে সজোরে লাগে তার পেটে৷ তারপরেও তাকে চেয়ার ছুঁড়ে মারা হয় বলে অভিযোগ৷

প্রধানকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন আরও দুই মহিলা সদস্য রীতা মন্ডল ও রত্না মন্ডল৷ পঞ্চায়েতের মোট ১৭ জন সদস্যের মধ্যে ৯ জনই মহিলা৷ এই ঘটনার পর তারা সকলেই আতঙ্কিত ও নিরাপত্তাহীনতাই ভুগছেন ৷

এর আগেও তাদের নানাভাবে হেনস্থা ও বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ৷ এই ঘটনায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাছে বিচার প্রার্থনা করেছেন তারা৷

অভিযোগের তীর যার বিরুদ্ধে সেই পঞ্চায়েত সদস্য প্রসেনজিত সাহা অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷ তার পাল্টা দাবী প্রধানের দুর্নীতি নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলায় তাকে মারধর করা হয় ৷

দুপক্ষের তরফেই নরেন্দ্রপুর থানায় ও সোনারপুর বিডিওর কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে৷ তারা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here