দ্য পিপল ডেস্কঃ একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার তদন্তে নেমে বড় ধরণের সাফল্য পেল বারুইপুর পুলিশ জেলার অধিনস্ত বাসন্তী থানার পুলিশ।উদ্ধার হল চুরি যাওয়া ২২ টি মোটর বাইক,নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা,ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র। পাশাপাশি অভিযুক্ত দুষ্কৃতিদের কে পাকড়াও করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রত্যন্ত সুন্দরবনের বাসন্তী থানায় এক সাংবাদিক সম্মেলন করে বারুইপুর পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়।

এদিন সাংবাদিক সম্মেলন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু বলেন ‘বাসন্তী এলাকায় পর পর ২টি বাইক চুরি যায়। চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়।সেই অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। উদ্ধার হয় ২২ টি মোটর বাইক।আর এই মোটর বাইক চুরির ঘটনায় পুলিশ প্রথমে আতিয়ার মোল্লা কে গ্রেফতার করে ৫ টি চুরি যাওয়া মোটর বাইক উদ্ধার করে।এরপর ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।লতিফ মোল্লা,রেজাউল লস্কর,মইদুল খান কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় আরও ১৭ টি চুরি যাওয়া মোটর বাইক।তিনি আরও বলেন গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বাসন্তীর ভরতগড়ের সুন্দরবন হাইস্কুল মোড়ে ৩ জন দুষ্কৃতী মোটর বাইক চালিয়ে এসে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে এক ব্যবসায়ীর টাকার ব্যাগ ছিনতাই করে চম্পট দিয়েছিল।

সেই ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে ক্যানিং মহকুমা পুলিশ আধিকারীক গোবিন্দ শিকদার ও বাসন্তী থানার আইসি আব্দুর রব খানের নেতৃত্বে পুলিশের স্পেশাল টিম তদন্ত নামে। মাত্র ৭ দিনের মধ্যে ইয়াসিন ঘরামী,মান্নান মোল্লা,সেখ ফিরোজ কে গ্রেফতার করা হয়।

ধৃতদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া ৫০ হাজার টাকা এবং ২ টি আগ্নেয়াস্ত্র,১ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।পাশাপাশি এই ঘটনায় আর কে বা কারা যুক্ত রয়েছে সে বিষয়েও খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করৈছে পুলিশ।পুলিশ সুত্রে জানাগেছে গত ১৪ ফেব্রুয়ারী রাতে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।বাসন্তী থানার অধিনস্ত ভরতগড় এলাকার বাসিন্দা আয়ুব মুক্তি নামে এক ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল।