দ্য পিপল ডেস্কঃ রাত পোহালেই ২১ জুলাই। তার আগে গোটা ধর্মতলা চত্বর জুড়ে সাজো সাজো রব। তবে আতঙ্কে ভুগছেন নিত্যযাত্রীরা। যাঁদের প্রত্যেকদিন ট্রেনে, বাসে চড়ে কর্মস্থলে পৌঁছতে হয়।

আমাদের WHATSAPP গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন: Whatsapp

রবিবার সকাল হতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা যোগ দেবেন ঐতিহাসিক ২১ জুলাইয়ের জমায়েতে। উত্তরবঙ্গ সহ দক্ষিণবঙ্গের দূরবর্তী জেলার কর্মী-সমর্থকরা আগে থেকে এসে গেলেও অনেকেই আসবেন আগামীকাল।

কলকাতা সহ হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সকাল সকাল রওনা হন কর্মী-সমর্থকরা। যে কারণে অস্বাভাবিক ভিড় বাড়ে ট্রেনগুলিতে।

তবে নিত্যযাত্রীদের একাংশের মত, ভিড় হলেও ট্রেন থাকে কিন্তু গোটা শহর থেকে একপ্রকার উধাও হয়ে যায় বাস। যার জেরে রাস্তায় বেরিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়।

নৈহাটি থেকে সল্টলেকে কাজ করতে আসা কলসেন্টার কর্মী মৌমিতা রায়ের কথায়, “আমাদের কোনো কাজের ক্ষেত্রে রবিবার কোনো ছুটির দিন নয়। আমাদের প্রত্যেকদিন কাজে আসতে হয়। সেক্ষেত্রে এমন মিটিং বা মিছিল হলে গোটা সল্টলেক থেকে বাস উঠে যায়। খুবই সমস্যা হয়।”

নিউটাউনে কাজ করতে আসা আর একজন নিত্যযাত্রী স্বপন রায়ের কথায়, “এমনিতে রবিবার বাস কম থাকে সময় মতো পাওয়া যায় না, তার ওপর আবার ২১ জুলাইয়ের মিটিং। নেতারা কী আমাদের কথা ভাবেন? ভাবেন হয়তো রবিবার সবার ছুটি। ভোট হোক বা ২১ জুলাইয়ের মিটিং শহরে বাসের খুব অভাব হয়, যার ব্যবস্থা করেন না নেতারা।”

ফুলবাগানে কাজ করতে আসা এক নার্স বেবি মন্ডলের কথায়, “বাস তো পাওয়াই যায় না এই সব দিনে। সুযোগে অটোও ইচ্ছেমতো দর হাঁকে। যা ভাড়া তার ডবল চায়। কাজের জায়গায় দেরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে বা বাড়ি ফেরার তাড়ায় আমরাও অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে বাধ্য হই। এসব কী জানতে আসেন নেতা, নেত্রীরা?”

সকাল হতেই ভিড় বাড়বে ধর্মতলা চত্বরে। কত লোক এলেন, লোক সংখ্যা বাড়ল  কি কমল তা নিয়ে কাটাছেঁড়া করতে শুরু করবে বিরোধীরা। কিন্তু সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগের কথা পৌঁছবে কী নেতাদের কানে?